বর্ষাকে কাছে পেয়ে নিজের ভুল বুঝতে পারল কৃষ্ণা! প্রাণে বাঁচলেও পরিবর্তন হলো না অয়ন মৌমিতা!

এখন গোটা টিআরপি জুড়ে রাজ করছে জি বাংলা (Zee Bangla)। এই তালিকার প্রথম পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে এমন একটি ধারাবাহিক হলো নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu)। গত সপ্তাহের প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক। এই মেগায় নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন পল্লবী শর্মা। নায়কের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে রুবেল দাসকে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সৃজন এবং দত্ত পরিয়ারের বাকি সদস্যরা তাদের ছেলে মেয়েদের রক্ষা করতে এবং বাড়ি ফিরিয়ে আনতে এক ভয়ংকর মাফিয়ার ডেরায় ঢুকে পড়েছে। পর্ণার বুদ্ধিতেই তারা সবাই সেখানে প্রবেশ করতে পারে।এরপর সৃজন নিজের খেল দেখিয়ে একেবারে কাবু করে ফেলে ওই শয়তান মাফিয়াটাকে। এরপর অয়ন মৌমিতা এবং বর্ষার অনেক কাছাকাছি পৌঁছে যায় তারা। আর তার পরেই তাদের ঘিরে ধরে নতুন বিপদ।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বিলায়েত সিংকে বেঁধে গুন্ডাদের ভজন ভাজুম দিয়ে সেখান থেকে গোডাউনের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েছে পর্ণা সহ পরিবারের প্রত্যেকে। এদিকে অয়নের চোখ ও প্রাণের জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছে ডাক্তাররা। বর্ষা মৌমিতা দুজনেই এসব দেখে ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। কারোর কথাই শুনতে চায় না ওই লোকগুলো। কারণ ওস্তাদজী বলেছে, সুস্থ ভিখারীর থেকে বিকলাঙ্গ ভিখারীর প্রতি বেশি দয়া দেখায় মানুষ। তাই যত বেশি চোখ উপড়ে হাত ভেঙ্গে ভিক্ষা করতে নামানো হবে তত বেশি টাকা উঠবে।
ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে পর্ণা সৃজন পিকলু সহ বাকিরা। তারা এসে প্রথমে গুন্ডাদের মেরে ধরাশায়ী করে দেয়। আর তারপর একে একে প্রত্যেককে সেখান থেকে উদ্ধার করে। নিজের বৌদিভাইকে দেখতে পেয়ে খুব খুশি হয় বর্ষা। অখিলেশ তার ছেলেকে বলে, “চোখটা তো যেতে বসেছিল, দেখলি তো পাপ করলে কি শাস্তি ভোগ করতে হয়? আর করবি কখনো এরকম?” অয়ন নিজের ভুল বুঝতে পারে। এরপর সেখানে থাকা প্রতিটি ভিখারীকে নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পর্ণা। ঠিক তখনই সেখানে এসে হাজির হয় বিলায়েত সহ তার গোটা দলবল।
আরো পড়ুন: শিবরাত্রির দিনেই স্বামীকে হারালো কথা! প্রান্তিকের চক্রান্তে অগ্নিভর জীবনে মহা সংকট
সেই ভয়ংকর মাফিয়া তাদেরকে বলে, তার ডেরায় এসে তাদের মুখের সামনে থেকেই শিকার ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া এত সহজ নয়। কিন্তু এসবে একটুও ভয় পায় না পর্ণা। উল্টে সে সমস্ত দুস্থ ভিখারীদের লাঠি নিয়ে তেড়ে যেতে সাহস যোগায়। প্রত্যেকে সাহস করে এগিয়ে যায় আর ওই মাফিয়াসহ সমস্ত গুন্ডা গুলোকে মেরে মাটিতে শুইয়ে দেয়। ততক্ষণে সেখানে পৌঁছে গিয়েছে পুলিশ ফোর্স। প্রত্যেকে সুন্দর ভাবে সুস্থ ভাবে বাড়ি ফেরে। বর্ষাকে ফিরে পেতেই বুকে জড়িয়ে ধরে কৃষ্ণা। সুজনের বাবা ক্ষমা চেয়ে নেয় এবং কৃষ্ণাকেও ক্ষমা চাইতে বলে পর্ণার কাছে। কৃষ্ণা বলে, “ওরা অন্যায় করেছিল তাই আমি সৃজনকে চড় মেরেছিলাম। কিন্তু এখন বর্ষা ফিরে এসেছে দেখে আমি খুশি হয়েছি।” সবাই খুশি দেখে পর্ণার মনটাও আনন্দে ভরে ওঠে।

