ঝোরার স্বীকারোক্তি! সে মহার্ঘ্যকে স্বামী হিসাবে না ভালোবাসলেও মহার্ঘ্য হিসাবে ভালোবাসে! দিনে দিনে ঝোরা মহার্ঘ্যর রসায়ন তৈরি হতে দেখে খুশি দর্শক

ফের ছোটপর্দায় ফিরে এসেছে সৌগুন জুটি। ‘খড়কুটো’ ধারাবাহিকে প্রচুর দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছিল কৌশিক তৃণা জুটি। এই জুটিকে ফের পর্দায় ফেরানোর আবেদন করেন দর্শকরা। কথা রাখেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায় (Leena Ganguly)। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গল্প বাঁধেন তিনি। শুরু হয় ত্রিকোণ প্রেমের এক গল্প।

এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে সমুদ্র সেন নামে এক বড় পলিটিশিয়ানের মেয়ে ঝোরা! আর সেই পলিটিশিয়ানের নয়নের মনি তাঁর প্রিয় পাত্র মহার্ঘ্য। এই ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে, ঝোরা ভালবাসে স্রোত ওরফে ইন্দ্রাশিস’কে, তাকেই বিয়ে করতে চায়, কিন্তু সমুদ্র সেন ঝোরার সঙ্গে মহার্ঘ্যরই বিয়ে দেবেন বলে মনস্থির করেছেন। এমনকি সর্বসম্মুখে বিয়ের কথা ঘোষণাও করে দিয়েছেন। এই ঘোষণা শুনে একদিকে যেমন স্রোত রেগে যায়, এবং ভাবে যে,তাকে এই ঘোষণা শোনানোর জন্যই ডেকেছিলো ঝোরা। অন্যদিকে মহার্ঘ্যকে ভুল বোঝে ঝোরা। সে ভাবে রাজত্ব পাওয়ার লোভে এই পরিকল্পনা করেছে মহার্ঘ্য। ঝোরার জন্য কষ্ট পাচ্ছে এই ধারাবাহিকের দুই নায়কই।

Jhora aghya

মহার্ঘ্যর সঙ্গে বিয়ের রাতে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় ঝোরা। স্রোতের বাড়িতে বসে বিয়ের আসর। আর সেখানে পুলিশ নিয়ে এসে উপস্থিত হয় ঝোড়ার বাবা সমুদ্র সেন, ঝোরার মা ও মহার্ঘ্য।‌‌ স্রোতকে তাঁরা তাঁদের মেয়েকে তুলে নিয়ে আসার অভিযোগে বিদ্ধ করে। এরপর ঝোরা ও স্রোতের বিয়ে ভেঙ্গে তাঁরা ঝোড়া’কে নিয়ে চলে যায়। যাওয়ার আগে ঝোরা স্রোতকে বলে যায়‌ সে শুধুমাত্র স্রোত’কেই ভালোবাসে। অসমাপ্ত এই প্রেম কাহিনী দেখে চোখে জল আসে ভক্তদের। তবে অবশেষে মহার্ঘ্যর সঙ্গেই বিয়ে হয় ঝোরার।

বালিঝড়ের বর্তমান পর্ব গুলি দেখে বেশ খুশি ভক্তরা। মহার্ঘ্য আর ঝোরাকে কাছাকাছি আসতে দেখে আনন্দে আত্মহারা তারা। এটাই তো চেয়েছিলেন বালিঝড়ের ভক্তরা। ঝরা মহার্ঘ্যকে বলে সে তাকে স্বামী বা বয়ফ্রেন্ড কোনটাই ভাবেন না বরং তাকে মহার্ঘ্য হিসেবে ভালোবাসে যা শুনে আপ্লুত দর্শকমহল। ঝরা মহার্ঘ্যকে কথা দেয় সে তাকে আর অপমান করবে না এই স্নিগ্ধ পর্বটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শকরা।

এই প্রসঙ্গেই এক নেটিজেন মন্তব্য করেন – আজকের পর্বের মূল আকর্ষণ “ঝোরার স্বীকারোক্তি”। ঝোরা মহার্ঘ্যকে boyfriend হিসেবে ভালোবাসে না, স্বামী হিসেবেও ভালোবাসে না কিন্তু “মহার্ঘ্য” হিসেবে ভালোবাসে। অর্থাৎ ঝোরার কাছে “মহার্ঘ্য” অনেক কিছুর উর্ধ্বে। ঝোরা মহার্ঘ্যকে ভালো বন্ধু হিসেবে দেখতো। যখন মহার্ঘ্য বিয়েতে রাজি হয়ে গেল তখন ঝোরার রাগ হয়ে ছিল আর তার থেকেই এতো অপমান করছে। তবে আজ মহার্ঘ্যর কাছে কথা দিলো যে সে আর তাকে অপমান করবে না। একটু সেবা একটু ভালোবাসা, একটু অনুতাপ, খুব মায়াবী, খুব স্নিগ্ধ একটা পর্ব দেখলাম।’

Back to top button