নেই নায়ক সুলভ বাহ্যিক গঠন কেবল নিজের অভিনয়ের জোরে দর্শকদের মনে জায়গা পেয়েছে কৌশিক রায়! “সৌগুন” বা “ঝোরার্ঘ্য” ভক্তরাও কি তাই মনে করেন?

ছোটপর্দার বেশ জনপ্রিয় অভিনেতা কৌশিক রায়।প্রথম দেখা “বোঝেনা সে বোঝেনা” সিরিয়ালের কৃষ্ণেন্দু চরিত্রে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। নেগেটিভ একটা চরিত্রে মারাত্মক লেভেলের অভিনয় করেছেন কৌশিক। সেখানে ওনার অসামান্য অভিনয়ে দাগ কেটে গেছিলো হাজার হাজার দর্শকের মনে। এরপর একে একে “বধূ কোন আলো লাগলো চোখে”, “ফাগুন বউ”, “পূন্যি পুকুর”, “খড়কুটো”, “গয়নার বাক্স”, “অন্য বসন্ত” এছাড়াও বহু ছোট বড় নেগেটিভ বা পজেটিভ রোলে কৌশিকের অভিনয় সারা ফেলে দিয়েছে। আর বর্তমানে ওনাকে দেখা যাচ্ছে “বালিঝড়” ধারাবাহিক।
উনি তথাকথিত সিরিয়াল, নাটক বা সিনেমার হিরো নন। হিরো হতে হলে যে সুন্দর মুখ, সুন্দর সুঠাম দৈহিক গঠন সর্বাধিক প্রাধান্য পায়। এরপর দেখা হয় অভিনয় পারে কি না। কিন্তু একজন অভিনেতার জন্য যেকোনও চরিত্র যেকোনও পরিস্থিতি ফুটিয়ে তুলতে নিজেকে ভেঙে বারবার সেই ছাঁচে ফেলে গড়তে হয় অবিরাম।
নেগেটিভ, পজেটিভ বা পার্শ্বচরিত্র সবকিছুতে মাপে মাপে বসে যাওয়ার একটা অদ্ভুত ক্ষমতা আছে কৌশিকের মধ্যে। যা তার চেহারা দৈহিক গঠন সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে তার ব্যক্তিত্বকে আরো দৃঢ়ভাবে ফুটিয়ে তুলছে দর্শকদের সামনে। ওনার অভিনয় হাজার হাজার সুপুরুষ অভিনেতাদেরও হার মানাতে বাধ্য।
View this post on Instagram
সম্প্রতি এক নেটিজেন শাহরুখ খানের সাথে তাকে তুলনা করে বলেছেন- ‘শাহরুখ খান এবং কৌশিক রায় ২ জনেই অভিনয় করেন নিজেদের চোখ দিয়ে। শুধু মাত্র চোখের অভিব্যক্তি দিয়ে কোন প্রকার ডায়লোগ ছাড়া সিচুয়েশন বোঝানোর ক্ষমতা ২ জনের মধ্যেই গভীর ভাবে বিদ্যমান। এরপর একদল লোক আছে যারা সবক্ষেত্রে এসে বলে এরা দেখতে ভালো না। নায়ক হওয়ার যোগ্যতা নেই। এর থেকে অমুক দেখতে সুন্দর সে ভালো নায়ক। অভিনয় জগতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো চরিত্রকে নিজের মধ্যে ধারণ করার ক্ষমতা। এখানে লুকস ম্যাটার করে না।”
View this post on Instagram

