মিতুল থেকে তিতির দুজনের জীবন জ্বালিয়ে খেল! উফ!! কী শাশুড়ি, ডায়লগ শুনলেই গায়ে জ্বালা ধরে, বেশি দেখালে টিআরপি কমে যাবে? অভিনেত্রীর অভিনয় নিয়ে এমন মন্তব্য দর্শকের

বাংলা সিরিয়ালের ক্ষেত্রে নায়ক-নায়িকার পাশাপাশি খলনায়িকার চরিত্রেরও বেশ গুরুত্ব থাকে। গত কয়েক দশক ধরে বাংলা টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে দর্শকদের হাড় হিম করে আসছেন যে খলনায়িকারা তারাই বলতে গেলে বাংলা ধারাবাহিকের ইউএসপি। পর্দায় এদের দেখলেই নড়েচড়ে বসেন দর্শকরা।
বেশ কিছু বছর ধরে বাংলা টেলিভিশনে নন্দিনী চ্যাটার্জি একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। বলা যেতে পারে একদিন জনপ্রিয় খলনায়িকা। যাকে কখনো দেখতে পাওয়া গেছে দজ্জাল মাসি বা মামীর চরিত্রে অথবা কখনো দজ্জাল শাশুড়ি অথবা কখনো সৎ মায়ের চরিত্রে। নিজের অভিনয় দক্ষতার স্থলে বাংলা দর্শকের মনে এমন জায়গা করে নিয়েছেন নন্দিনী যে তাকে দেখে গালাগালি পর্যন্ত করেন দর্শকরা। একবার শুনে গিয়েছিল তাকে দেখে রাখি এক মহিলা জুতো পর্যন্ত ছুড়তে গিয়েছিলেন। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে যে একজন অভিনেত্রী হিসাবে কতটা দক্ষ তিনি।
নন্দিনী অভিনয় জগতে অনেকদিন থাকলেও জনপ্রিয়তা পান রবি ওঝার ‘নানা রঙের দিনগুলি’ ধারাবাহিক থেকে। এখানে একজন আলট্রা মডেল দজ্জাল শাশুড়ির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন নন্দিনী। তারপর থেকে একাধিক ধারাবাহিকে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের মন জিতে নিয়েছেন তিনি। মিঠুন চক্রবর্তীর ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এর মত তাবড় তাবড় অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে বেশকিছু ছবিতেও কাজ করেছেন নন্দিনী।
বর্তমানে এই অভিনেত্রীকে দেখা যাচ্ছে মন দিতে চাই আর খেলনা বাড়ি ধারাবাহিকে। আর এই দুই জায়গাতেই নায়কের সৎ মা নন্দিনী। তার কূটনৈতিক বুদ্ধি আর সৎ ছেলের অনিষ্ট সাধন করার পদ্ধতি দেখে চক্ষু চরক গাছ দর্শকদের। মানুষ যে এতটাও ভয়ঙ্কর হতে পারে সেটা এনাকে না দেখলে হয়তো বোঝা যেত না। এনার চালচলন, কুটবুদ্ধি, মানুষের অনিষ্ট করার ছলা কলা এবং সর্বোপরি এনা ডায়ালগ সবই ভীষন বিরক্তির কারণ দর্শকের কাছে।

বিরক্ত হয়ে এক নেটিজেন মন্তব্য করেন – ‘ উনি সিংহাসনে বসেছেন, এই সিংহাসন উনি তিতির কে দেবে না সে না দেখ, সেটা ওনার ব্যাপার। আমার কথা হলো উনি মিতুলের সিংহাসন টা নিতে পারে নি বলে, তিতিরের সিংহাসনটা নিল। উফ! কি শাশুড়ি। বিরক্ত লাগে ওনার ডায়লগ শুনলে খেলনা বাড়ি তে এখন দেখায়না এটাই ভালো। এনার সিন আর ডায়লগ যদি বেশি রাখা হয় মন দিতে চাই সিরিয়ালে যাও টিআরপি পায়, সেটা বাই বাই হয়ে যাবে।’

