মাথায় নেই বুদ্ধি কী করে ডাক্তারি পাস করলো সূর্য আর চাঁদনী! লোকে ভালো বুদ্ধি দিলে নেবে না উল্টে খারাপ বুদ্ধি নিয়ে এগিয়ে যাবে, সূর্যর পর এবার চাঁদনীর ওপর ক্ষেপে লাল দর্শক

যারা নিয়মিত টেলিভিশনের সাথে যুক্ত তারা প্রত্যেকে অনুরাগের ছোঁয়ার বর্তমান পর্বগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। সম্প্রতি মিশকার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। তার সমস্ত জারিজুরি ফাঁস করে ফের কাছাকাছি হওয়ার মুখে সূর্য আর দীপা। কিন্তু তারা কি সত্যি কাছে আসবে আবার? এতদিন ধরে কেবল এটাই দেখা যাচ্ছে ধারাবাহিকে হওয়া কাণ্ডকারখানায়। সব কার সাথে চলেছে কিন্তু কবে যে সেটা হবে তার কোন নাম বন্ধ নেই ধারাবাহীকে।

গল্প চলতে চলতে সূর্য আর দীপা এখন দর্শকদের ঘরের মানুষ। তাঁরা এখন সবাই চাইছে এবার সূর্য আর দীপার এই দূরত্ব ঘুচে যাক। তার কাছে আসুক। মিশকার সব শয়তানি ফাঁস হলেও এই দূরত্ব আর মিটছে না। সিরিয়ালের গল্প অনুযায়ী দীপা আর সূর্য ৮ বছর একে অন্যের থেকে দূরে আছে। বর্তমানে সূর্য দীপা দুজনে জানতে পেরে গেছে সেই সোনা এবং রুপা দুজনেই তাদের দুজনের মেয়ে।

অন্যদিকে স্টার জলসার সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক ‘মেয়েবেলা’ । এ এক অন্যরকম গল্পের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা। একটা সংসারে দিনের পর দিন বছরের পর বছর ধরে চলে আসা কিছু নিয়মের প্রতিচ্ছবি। শ্বাশুড়ি, জা’য়েদের সাথে মানিয়ে চলতে না পাড়ার গল্প। কখনও বা কিছু ভালোর স্বার্থে নিজেকে ভুলে যাওয়ার গল্প। এক ছাদের তলায় কিছু ভিন্ন পরিস্থিতিতে বয়ে চলা কয়েকটি মেয়ের জীবন। যারা আদৌ কেউ কারুর শত্রু নয়। তবে সমাজের চোখে কেউ এক হতে পারেনা কখনও।

দর্শকরা ভেবেছিল এই ধারাবাহিককে অন্তত স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পুরনো প্রেমিকা তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে ঢুকে পড়েছে ভিলেন রূপে এমন কিছু দেখানো হবে না। কিন্তু সে গুরে বালি ডোডো অর্থাৎ নির্ঝরের মা বিথীর মদতেই ধীরে ধীরে ডোডো আর মৌ এর জীবনে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে প্রবেশ করছে চাঁদনী। এদিনের পর্বে তারই ইঙ্গিত দিল সে। একটা ক্যাফে তে চাঁদনী ও তার দাদা বসে কথা বলছিল। চাঁদনীর দাদা, তার বোনকে বোঝানোর চেষ্টা করছিল এখন আর কিছু বদলানো সম্ভব নয়, চাঁদনীর নির্ঝরের জীবন থেকে সম্পূর্ণভাবে বেরিয়ে আসাটাই এই মুহূর্তে বুদ্ধিমানের কাজ। চাঁদনীর দাদা, চাঁদনীকে কথা দিতে বলে যে চার দিন নির্ঝরদের বাড়িতে যাতে কখনো না যায়। সামনাসামনি চাঁদনি বিষয়টাতে সম্মতি জানালেও মনে মনে সে বলে নির্ঝরে থেকে আর দূরে থাকতে পারবে না সে।

Anurager chowa

এই দুই ধারাবাহিকের অদ্ভুত ভাবে মিলে গেছে চাঁদনী আর সূর্যর চরিত্র। প্রথমত দুজনেই ডাক্তার। দুজনেই অসম্ভব বোকা। দুজনেই শুরুতে পজিটিভ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততই বিকৃত হচ্ছে। প্রথম দিকে নিজের চিন্তা ভাবনা বোঝার ক্ষমতা দিয়ে ঠিক যতটা মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছিল, এখন ঠিক ততটাই বিরক্তিকর হয়ে উঠছে দর্শক মহলে।

Back to top button