কনসার্টে বর্ষার গান শুনে মুগ্ধ সকলে! বৌদি যদি পর্নার মত হয় তাহলে ননদের ক্ষতি করে কে? পর্না বর্ষার সম্পর্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে

এই মুহূর্তে জি বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক বলতে গেলে যে কয়টি ধারাবাহিকের নাম উঠে আসে তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘নিম ফুলের মধু’। একেবারে বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘটনা তুলে ধরছে এই ধারাবাহিক যা দেখে দর্শকরা নিজেদের সঙ্গে খুব বেশি মিল পাচ্ছে। সম্প্রতি বর্ষার বিয়ে নিয়ে চলছে একের পর এক ঘটনা।
একদিনের মধ্যে বর্ষার বিয়ের জোগাড় হয়ে করে ফেললো বর্ষার মা। পুরোহিত জানিয়েছিল, ছ’ মাসের মধ্যে অন্য কোনও বিয়ের তারিখ নেই। তাই তাড়াহুড়ো করে বাড়ির একমাত্র মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি রয়ে গিয়েছে দত্ত পরিবার। বর্ষার ঠাম্মি, জেঠিমা, বাবা, ছোটকা অনেকটা চিরতার রস গেলার মতো করেই বিয়েতে রাজি হয়ে গিয়েছে। তার অমতে পরিবারের লোকজন জোর করে বিয়ে ঠিক করায় অখুশি বর্ষা। ফলে সৃজন ও পর্ণা এই বিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করে চলেছে।
আর শেষমেষ বিয়েতে ভাঙছি দিয়েই ছাড়লো পর্ণা। কাজের লোক সেজে অমিত রায়ের বাড়িতে ঢোকার পরিকল্পনা করল সে। আর তারপর জেনে নিল সমস্ত গোপন তথ্য। এদিকে কৃষ্ণা, তিন্নি, মৌমিতারা বেজায় খুশি। ঠাম্মি ও জেঠিমা খুশি না হলেও, নিয়মরক্ষার চেষ্টা করে।

অবশেষে বিয়ের মন্ডপেই বর্ষার হবু বরের সমস্ত জোচ্চুরি সবার সামনে ফাঁস করল পর্ণা সৃজন। এই কাজ এতটাও সহজ ছিল না। বাড়ির লোকজন নিজের বাড়ির বউ এর থেকে বেশি বিশ্বাস করে একদিনের চেনা একটা জোচ্চোরকে তাই মণ্ডপে দাঁড়িয়েই যা নয় তাই শোনানো হয়েছে তাকে। তাও নিজের জায়গা থেকে এক চুলও সরেনি পর্ণা।
সমস্ত কিছু ফাঁস করে দেওয়ার পরে শুরু হয় নতুন নাটক। লগ্নভ্রষ্টা হওয়ার ভয়ে দাদার সমতুল্য সৃজন এর বন্ধুর সাথে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বর্ষার। সেখানেও বর্ষাকে আগলে দাঁড়ায় পর্ণা। আর এই ঘটনায় একটু আগে তার এত বড় উপকার কে তুচ্ছ করে তাকে আরো নোংরা নোংরা কিছু কথা শুনিয়ে দেয় তার শাশুড়ি মা। চোখের জল এলেও নিজের জায়গা থেকে নরেনি সে। সাহায্য করে গেছে বর্ষাকে।
তারপর বর্ষার বহু দিনের স্বপ্ন পূরণে সকলের সামনে গান গাইতে ভরসা যোগ দিয়েছে সাহস যুগিয়েছে। আর শেষ পর্যন্ত সবাইকে চমকে দিয়ে পর্ণার এই এত লড়াইকে সার্থক করেছে তার গানের মধ্যে দিয়ে। দর্শকরা ননদ বৌদির এমন মধুর সম্পর্কে বেশ সন্তুষ্ট। তারা বলছেন এমন বৌদি যেন সকলে পায়।

