সব মেয়ে যে হ্যান্ডসাম ছেলে দেখেই প্রেমে পড়ে না তা প্রমাণ করলো মিঠি! মিঠাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মিঠির বলা কথা মন জয় করেছে সকলের

কিছুদিন আগেই মিঠির সাথে সিড এর মেলামেশা কথাবার্তা নিয়ে হাজারও খারাপ লাগা, সন্দেহ দানা বেঁধেছে মিঠাইয়ের মনে। সে মনে করছিল মিঠি সিড এর মাঝে সে ঢুকে পড়েছে। সে ভেবেছিল উচ্ছে বাবু কে ডিভোর্স দিয়ে ওদের মাঝখান থেকে চলে যাবে আর তাহলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। মিঠাইএর এমন অবস্থায় তখন কষ্ট পেয়েছিলেন ভক্তরাও। ধীরে ধীরে এই বিষয়টা মিটছিলো আর তার মাঝেই এসে হাজির হলো নতুন বিপদ।

মিঠি শ্রী এর সাথে বসে গল্প করছিল। সেখানেই কথা প্রসঙ্গে মিঠি বলে যে সে সিদ্ধার্থকে ডিভোর্স পেপার পাঠিয়েছিল কিন্তু সিড এখনও সেটা নিয়ে কিছু প্রতিক্রিয়া জানায়নি। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে সবটাই শুনে ফেলে সে। মিঠাই জানতোনা সিড মিঠির বিয়ে হয়ে গেছে। আর এদিন সবটা জেনে গেল সে। কষ্ট পেয়ে একটি চিঠি লিখে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় মিঠাই। আর সেই চিঠিটাই পাই মিঠি। চিঠিটা পাওয়া মাত্র সে হল্লা পার্টিকে ডেকে সমস্তটা জানায়। আর সবাই মিলে ঠিক করে তারাই খুঁজে বার করবে মিঠাই কে। সিদ্ধার্ত তখন অব্দি এইসব বিষয়ে কিছুই জানতো না। মিঠিও বলে তাকে কিছু না জানাতে তাই সকলে মিলে সিদ্ধান্ত নেয় সিদ্ধান্তকে না জানিয়ে তারা নিজেরাই সমস্যার সমাধান করবে।

একটা মেয়ে যে এতদিন পর জানতে পারছে তার অবর্তমানে তার বরের সাথে অন্য একটি মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তারা একসাথে থাকতো। তারা এতদিন একসাথে সংসার করেছে। এরপর সেই মেয়েটার কষ্ট পাওয়াটাই স্বাভাবিক। মিঠাই কিছুই ভুল বোঝেনি বরং এতদিন পর ঠিক বুঝেছে। তবুও মিঠাই নিজেই স্বীকার করেছে যে সে হিংসা করত না। সে মিঠির কাছে ঋণী কারণ তার অবর্তমানে তার ছেলেকে সেই আগলে রেখেছিল।

অন্য ধারাবাহিক হলে মিঠির জায়গায় যে থাকতো সে এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে ঠিক সিদ্ধার্থেরই জীবনে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করত তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে। কিন্তু এখানে এমনটা হয়নি বরং হয়েছে একেবারেই উল্টোটা। মিঠাইকে খুঁজতে জান প্রাণ লাগিয়ে দিয়েছে মিঠি। যেভাবে সাহায্য করা যায় যতটা মাথা কাটানো যায় সব কিছু নিয়ে মিঠাইকে খোঁজার চেষ্টা করেছে সে আর অবশেষে খোঁজও মিলেছে।

mithi fan post

মিঠির বলা প্রত্যেকটা কথা মিঠাইকে খোঁজার তাগিদ সবকিছু দেখেই মুগ্ধ দর্শকরা। মেয়েরা যে কে বল হ্যান্ডসাম ড্যাসিং ছেলেদের দেখলেই তাদের গলায় ঝুলে পড়তে চায় না তার প্রকৃত জলজ্যান্ত উদাহরণ হল মিঠি। সে সুযোগের সদ্ব্যবহার করেনি। সে সবার পাশে থেকেছে এবং মিঠাই কে ফিরিয়ে আনতে সবার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছে। মিঠি বলেছে সে তার দিদির হাজবেন্ট কে নিয়ে এতটুকু নিও ইন্টারেস্টেড নয়, সিড সবসময় মিঠাইয়ের ছিল আর মিঠাইএরই থাকবে। মিঠির ডায়লগ গুলো সত্যি মন ছুঁয়ে গেছে দর্শকদের।

Back to top button