নায়িকা হওয়া অত সহজ নয়! ঠান্ডার মধ্যে পুকুরে ঝাঁপ অথবা পুরো শরীর মাটির নিচে পুঁতে দেওয়া, ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা রক্ষার্থে নায়িকাদের অক্লান্ত পরিশ্রমকে সম্মান জানালো দর্শকরা

বর্তমানে টেলিভিশনের ধারাবাহিকগুলি দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দের বিনোদনের একটি জায়গা হয়ে উঠেছে। আর সেই ধারাবাহিকের গল্প গুলি গড়ে ওঠে নায়ক এবং নায়িকার জীবনকে কেন্দ্র করে। তবে সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে অনেকেই মনে করে থাকেন যে নায়িকারা সেজেগুজে থাকা ছাড়া আর কি বা করে থাকেন! সেই তো মারপিটের দৃশ্য নায়ককেই করতে হয়। কিন্তু আদতে কি এই কথার কোন ভিত্তি রয়েছে?
ধারাবাহিক গড়ে ওঠে তার প্রতিটি কলাকুশলীকে নিয়ে। কিন্তু দর্শকের যাদের ওপর সবচেয়ে বেশি নজর থাকে সেটা হল সেই ধারাবাহিকের নায়ক এবং নায়িকার ওপর। তবে সে ক্ষেত্রে বাংলা ধারাবাহিক গুলি বলা যেতে পারে বেশিরভাগ হয় নারী কেন্দ্রিক। নারী চরিত্রকেই বেশি করে প্রাধান্য দেওয়া হয় এখানে। আবার কখনো কখনো তাদের নামেই গড়ে ওঠে সিরিয়ালের নাম। তাই সেই ধারাবাহিকের নায়িকা হয়ে ওঠার জন্য কম কষ্ট করতে হয় না অভিনেত্রীদেরও।

বর্তমানে টেলিভিশনের ধারাবাহিক বা যেকোনো অনুষ্ঠানের সাফল্যের মাপকাঠি হিসেবে সবচেয়ে প্রথমে ধরা হয় টিআরপিকে । আর যখনই কোন ধারাবাহিক টিআরপি পয়েন্টে পিছিয়ে পড়ে তখনই গল্পে আনা হয় নয়া মোড় অথবা এমন কোন প্লট যা দেখে সেখানেই চোখ আটকে যাবে দর্শকদের। সম্প্রতি দিনে আমরা এমন অনেক গল্পে দেখেছি কখনো নায়িকাকে ঠান্ডার মধ্যে পুকুরে ডুবে যাওয়ার দৃশ্য করতে হচ্ছে আবার কখনো গরম কড়াইয়ের ওপরে শুট করতে হচ্ছে আবার গলা পর্যন্ত মাটির নিচে পুতেও দেওয়া হয়েছে নায়িকাদের।

এগুলো কিন্তু তারা কখনোই নায়ক এসে বাঁচাবে তার জন্য করে থাকেন না। নিজেদেরকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠা করার জন্যই আর নিজেদের কাজের প্রতি নিষ্ঠার জন্যই তারা এগুলি করে থাকেন।

তাই তাদেরকে নিয়ে এই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে এক নেটিজেন লিখেছেন,’নায়িকা হওয়া অত সহজ নয়,শ্যুটের জন্য কখনো ঠান্ডাতেও রাতে জলে চোবানি খেতে হয়,কখনো গরম কড়াইয়ের উপর শ্যুট করতে হয়,কখনো শ্যুটের জন্য মাটিতে গলা পর্যন্ত পো*ত হতে হয়,তাই নায়িকাদের সন্মান দেয়া দরকার’।
ওই নেটিজেনের কথার সাথে অনেকেই একমত হয়েছেন এবং নিজেদের মন্তব্য সোশ্যাল মাধ্যমে রেখেছেন। সেখানে অন্য আরেকজন লিখেছেন,,’ আসলে শুটিং অনেক কষ্ট। অনেক রাত জেগে থাকতে হয়’।

