পায়েলকে নিয়ে অতিরিক্ত করছে রাতুল! শ্রীর সাথে রাতুলের খারাপ ব্যবহার অসহ্য হয়ে উঠছে দিনে দিনে! রাতুলকে অনুতপ্ত দেখতে চাইছে দর্শক

জী বাংলার একটি এটি জনপ্রিয় সিরিয়াল হল মিঠাই। শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা বিশাল। টিআরপি তালিকায় ওঠানামা লেগে থাকলেও জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি মিঠাই সিরিয়ালের। মিঠাই চরিত্রটি মৃত দেখানোর পর থেকে অনুরাগীরা একটি ক্ষুন্ন হয়েছিলেন। তবে মিঠি এসে মিঠাইয়ের মতন করেই নিজের আলাদা জায়গা গড়ে নিয়েছে দর্শকের মনে। দর্শক কখনোই চাননি মিঠিকে মিঠাইয়ের জায়গায় দেখতে।

ঘটনাচক্রে গল্পে এসেছে নতুন মোড়। রাতুল সাথে নিয়ে ফিরেছে তার এক ছাত্রীকে। যে এখানে পড়াশুনা করবে। সে সবসময় পায়েলকে স্নেহ করে এসেছে। কিন্তু পায়েলের যে হাড়ে হাড়ে শয়তানি সেটা রাতুল জানে না। সে শ্রীতমাকে ফাঁসাতেও দুবার ভাবেনি। নিজের কূটবুদ্ধি দিয়ে সে শ্রীতমার তৈরী করা প্রশ্নপত্র আগেই লিক করে দিয়েছে। ফলে শ্রীতমা এখন জেলে। তবে মিঠাইও হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। কিছু মনে থাকুক চাই না থাকুক দিদি শ্রীতমাকে বাঁচাতে সে সবকিছু করতে পারে। আর তাই হল্লা পার্টির সকলে একেবারে কলেজ পড়ুয়ার বেশে হানা দিয়েছে ফ্রেশার্স প্রোগ্রামে।

প্রথম থেকেই রাতুল চরিত্রটি কে খুব পজিটিভ ভাবে মিঠাই ধারাবাহিককে তুলে ধরা হয়েছিল। দর্শক ভীষণ পছন্দ করত রাতুলকে। তারা রাতুল শ্রীতমা জুটিকে একসঙ্গে দেখে বেশ সন্তুষ্ট হত। সেখানে রাতুলের বর্তমান কাজকর্মে বেশ হতাশ দর্শক। রাতুলের ছেলেমানুষী, সব দেখেও না দেখা না বোঝার বিষয়গুলো ভালো চোখে দেখছেন না দর্শকরা। তারা রীতিমতো তার ওপর যথেষ্ট ক্ষেপে রয়েছেন।

শুরু থেকেই অর্থাৎ রাতুলের সাথে ফেরার পর থেকেই একের পর এক কুকীর্তি করে চলেছে পায়েল। রাতুলকে শ্রীর থেকে আলাদা করার জন্য ছোট থেকে ছোট সুযোগও সে ছাড়েনি। নানাভাবে চেষ্টা করে গেছে, কিভাবে দুজনের মধ্যে একটা বড়োসড়ো ফাটল তৈরি করা যায়। আর তাতে এসে সফল হয়েছে। মিঠাই শ্রীতমাকে পায়েলের কু বুদ্ধি থেকে বুদ্ধি করে বের করে আনলেও পায়েল যেটা চেয়েছিল সেটা আদতে সফল। অর্থাৎ শ্রী ও রাতুলের সম্পর্কের মধ্যে মধ্যে এবার সত্যিই ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

দুনিয়া শুদ্ধু সকলে বুঝতে পারছি শ্রীকে ফাঁসানোর পেছনে পায়েলের হাত আছে। আর পায়েল নিজে বাঁচার জন্য তারই এক সহপাঠীকে তার পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার লোভ দেখিয়ে তার সমস্ত কুকীর্তির দায়ভার সেই মেয়েটির কাঁধে চাপিয়েছে। সবাই বুঝতে পারছে পায়েলের আসল ফন্দি কি। কিন্তু রাতুল পায়েলের প্রতি স্নেহে এতটাই অন্ধ হয়ে গিয়েছে যে সে কিছুতেই বুঝতে পারছে না এই আসল সত্যিটা। এমনকি সে তার স্ত্রী স্ত্রীকেও বিশ্বাস করতে চাইছে না। সে খারাপ ব্যবহার করছে জিনিসপত্র ভাঙচুর করছে তা আবার এমন একজনের জন্য যে মেয়েটা এত বড় একটা নোংরামির সাথে যুক্ত। দর্শক এটাকে কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। দর্শকদের দাবি এমন কিছু ঘটল যাতে রাহুল উচিত শিক্ষা পায় তার অসম্ভব অনুতাপ হয় এবং সে লজ্জায় কোনদিনও তার স্ত্রীকে মুখ না দেখাতে পারে।

Back to top button