সুন্দর গল্প নিয়ে শুরু হওয়ার পরে লেখিকা হাতে করে গল্পটাকে নষ্ট করলেন! ‘গুড্ডি’ ধারাবাহিক নিয়ে রীতিমত বিরক্ত দর্শক! তার জন্য দর্শকরা দায়ী করলেন লেখিকাকেই

বাংলা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে এই মুহূর্তে সবথেকে বেশি চর্চা যে ধারাবাহিককে নিয়ে হয় তাহলে স্টার জলসার গুড্ডি। প্রথম থেকেই কখনো ত্রিকোণ প্রেম, কখনো পরকীয়ার গল্প তুলে ধরা হয়েছিল ধারাবাহিকে যার কারণে প্রায় চর্চা হতো এই ধারাবাহিক নিয়ে। বারবার বিভিন্ন বিষয়ে হাসির খোরাক হয়েছে এই ধারাবাহিক।
এমনকি ধারাবাহিকের লেখিকা এবং অভিনেতা অভিনেত্রীরাও উঠে আসতেন সেই চর্চায়। ধারাবাহিকে তো আমরা বরাবরই দেখেছি অনুজকে নিয়ে গুড্ডি এবং শিরিনের মধ্যে টানাটানি চলে। কিন্তু অনুজ গুড্ডির দিকেই সব সময় ঝুকে ছিল। অন্যদিকে যুধাজিৎ এর সঙ্গে গুড্ডি পড়ে বিয়ে করলেও অনুজ তাকে ভুলতে পারছে না।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে, অনুজ এবং শিরিনের ছেলে পুবলুকে নিজের কাছে রাখা নিয়ে যুধাজিৎ এবং তাঁর মায়ের সঙ্গে গুড্ডির ঝামেলা চলছে। পুবলুকে তাঁর কাছে রেখে নিয়েই চলছে অশান্তি। আর ধারাবাহিকের এই গল্প দেখে তো বিরক্ত দর্শকেরা। আর তাই দর্শকদের কাছে ‘অত্যন্ত নোংরা’ ধারাবাহিকে পরিণত হয়েছে গুড্ডি।
প্রথম কয়েকটা মাস বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল ধারাবাহিকটি। কিন্তু তারপর থেকেই ঘুরতে শুরু করলো গল্পের মোড়। বিচ্ছেদ হয়ে গেল নায়ক নায়িকার, বিচ্ছেদের পরে আবার সম্পর্ক শুরু করল তারা। বিচ্ছেদের পর তারা নতুন করে যাদের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল তাদেরকে ঠকাতে শুরু করল। শিরিনের কোন দোষ ছিল না তবুও শিরিনকে শাস্তি পেতে হলো। জঘন্য থেকে জঘন্যতম দিকে এগিয়ে গেছে গল্পটা।
এই প্রসঙ্গে এক নেটিজেন বলেছেন – “সিরিয়ালটার শুরুর 4-5 মাস খুব ভালো ছিল আজকের পর্ব দেখে সেই পুরোনো এপিসোড গুলো মনে পড়ছিল। সত্যি বলতে গল্প বাড়ানোর জন্য যেসব টুইস্ট গুলো এনেছিলেন সব গুলোই ভুল হয়েছে। গুড্ডি অনুজের ডিভোর্স। অনুজ শিরিনের বিয়ে। বিয়ের পর শিরিনকে দুখী বউ বানানো। (সেই তো এখন খুনি বানিয়ে দিলো, এটা বিয়ের পর থেকেই করলে গুড্ডি অনুজের প্রতি এতো বিরক্তি ধরে যেত না দর্শকদের)। শিরিনকে প্রেগনেন্ট করা। গুড্ডি যুধাজিৎ এর বিয়েটা। প্রত্যেকটা মোড় ভুল দিকে নিয়ে গেছে গল্পের আবেগ গুলোকে নষ্ট করে দিয়েছে। তাই আজ গল্পটা এতো অস্বস্তিকর হয়ে গেছে। তবে আজ অনুজের জন্য খারাপ লাগছিল। লিপ এর পর অনুজ অনেক সংযত হয়েছে। আজ অসুখের মধ্যে আবার দূর্বল হয়ে যে কথা গুলো বললো সত্যি খুব খারাপ লাগলো।”

