“জি বাংলা প্রোডাকশন মানেই ননদ আর বৌদির মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক!” মিঠাই, খেলনা বাড়ি, নিম ফুলের মধু সবকটাতেই এমন সম্পর্ক দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়! সুন্দর সম্পর্কের মেলবন্ধনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শক

ননদ সম্পর্কটা অনেকটা নগদে পাওয়ার মতো। বিয়ের পরেই বরের সঙ্গে উপস্থিত ননদ। ঠিক তখনই। আর ননদ নামক বিভীষিকার আতঙ্কে বউমাও বাড়াতে থাকেন দূরত্ব। ব্যস! সূত্রপাত গৃহবিবাদ। কিন্তু ননদ মানেই কি ধারাবাহিকে দেখানো জটিল, কুটিল মানুষ? আদপেই তা নয়। তিনিও আপনারই মতো এক বাড়ির মেয়ে। তবুও ননদিনীরা উপাধি পান ‘রায়বাঘিনী’। ননদকে দূরে সরিয়ে না রেখে যদি কাছে টেনে নেওয়া যায়, তা হলে বউমা-ননদের সম্পর্কের রসায়নও কি হয়ে উঠতে পারে না ঈর্ষণীয়?
জি বাংলার বর্তমানে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘নিম ফুলের মধু’। যেখানে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা এবং অভিনেতা রুবেল দাসকে। কিছুদিনের মধ্যেই পর্ণা সৃজন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দর্শক মহলে। হাসি মজা দুঃখ আনন্দ সবকিছুই এই গল্পে বেশ ভালোভাবেই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছিল। পর্নার সৃজনের জুটি ও কয়েকদিনের মধ্যেই দর্শকের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। বর্তমানে পর্না এমন ভাবে বর্ষার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে যা দেখলে সত্যি মন ভরে যায়। ননদ বৌদির মধ্যে যে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ দিদি বোনের সম্পর্ক থাকতে পারে তা নিম ফুলের মধুতে স্পষ্ট।

শুরু থেকেই মিতুলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর স্বভাব দর্শক মুগ্ধ করেছে। পর্দার দাপুটে নায়িকা মিতুল মুখের ওপর সর্বদা সত্যি কথা বলতে ভালোবাসে। আর এইভাবেই অল্পদিনেই পর্দার প্রতিবাদী মিতুল দর্শকদের কাছে খুবই প্রিয় উঠেছে। বর্তমানে দর্শক চায় ধারাবাহিকের নায়িকা অত্যাচার সহ্য করে না কেঁদে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। যা এই ধারাবাহিকে হুবহু দেখানো হয়েছে। যার দরুন খুব তাড়াতড়ি দর্শক মহলে জায়গা করে নিয়েছে এই ধারাবাহিকটি। এখানে কলি মিতুলের ননদ হিসেবে অনেকটাই মিতুলের পাশে থেকেছে কলি। মিতুলকে সব সময় আগলে রেখেছে কলি।

জী বাংলার একটি এটি জনপ্রিয় সিরিয়াল হল মিঠাই। শুরু থেকেই এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা বিশাল। টিআরপি তালিকায় ওঠানামা লেগে থাকলেও জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি মিঠাই সিরিয়ালের। মিঠাই চরিত্রটি মৃত দেখানোর পর থেকে অনুরাগীরা একটি ক্ষুন্ন হয়েছিলেন। তবে মিঠি এসে মিঠাইয়ের মতন করেই নিজের আলাদা জায়গা গড়ে নিয়েছে দর্শকের মনে। দর্শক কখনোই চাননি মিঠিকে মিঠাইয়ের জায়গায় দেখতে। এখানেও মিঠাই আর শ্রীতমার সম্পর্ক দেখলে মানুষ কিছুটা কাজ করতে পারে যে তাদের মধ্যেকর সম্পর্ক শুধুমাত্র ননদ বৌদিতে নয় বরং তার থেকেও বেশি। একজনের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে অন্যজন একজনের স্মৃতিতে ফেরাতে আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে অন্যজন। একদিকে নিপা একদিকে শ্রীতমা। দুজনেই মিঠাইয়ের একাধারে বন্ধু দিদি বোন, আবার ননদ।

মানুষ তার চারপাশে যা দেখে তার দ্বারা প্রভাবিত হয়। আমরা আমাদের চারিদিকে কিছু ভালো জিনিস দেখে আবার কিছু খারাপ জিনিসও দেখি আর আমরা চেষ্টা করি সে প্রত্যেকটি জিনিসকেই কোন না কোন ভাবে নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করতে অর্থাৎ ভুল থেকে খারাপ কিছু থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং কোনো ভালো কিছুকে কাজে লাগায়। আর বাংলা ধারাবাহিক তো দর্শকদের জীবনে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। তাই তারা যখন সেখানে কিছু ভালো জিনিস দেখে কিছু মিষ্টি সম্পর্ক দেখে তখন অবশ্যই তার কিছু ভালো প্রভাব তাদের জীবনেও পড়বে এমনটাই আশা করা যায়।

