কম বয়সী নায়কদের পিছিয়ে ফেলছেন ‘গোধূলী আলাপে’র অরিন্দম! কৌশিক সেনকে সিরিয়ালে অ্যাকশন দৃশ্যে দেখে মন ভরে যাচ্ছে দর্শকের

কৌশিক সেন কলকাতা ভিত্তিক চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং থিয়েটারের একজন ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা।তিনি মৃণাল সেন পরিচালিত চলচ্চিত্র আমার ভূবন চলচ্চিত্রে কর্মক্ষমতা জন্য সেরা পার্শচরিত্রের অভিনেতা হিসাবে বিএফজেএ (BFJA) পুরস্কার জিতেছেন। বর্তমানে তাকে গোধূলি আলাপের নায়কের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে।
গোধুলি আলাপ হল একটি ভারতীয় বাংলা রোমান্টিক ড্রামা টেলিভিশন সিরিজ যা রাজ চক্রবর্তী প্রডাকশনের ব্যানারে রাজ চক্রবর্তী দ্বারা নির্মিত। এটি ২১ মার্চ ২০২২-এ বাংলা জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট চ্যানেল স্টার জলসায় প্রিমিয়ার হয়েছিল। শোটি ডিজনি+ হটস্টারে উপলব্ধ । অনুষ্ঠানটিতে অভিনয় করেছেন কৌশিক সেন, সোমু সরকার এবং দিয়া চক্রবর্তী।
গোধূলি আলাপ’-র মাধ্যমেই দীর্ঘ ১২ বছর পর, ছোট পর্দায় কামব্যাক করেছেন অভিনেতা কৌশিক সেন। তিনি জুটি বেঁধেছেন নবাগতা সোমু সরকারের সঙ্গে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন সোহাগ সেন, ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, রোশনী ভট্টাচার্য সহ আরও অনেকে। রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থা ও তাঁর তত্ত্বাবধানে এবং দীপ্তর পরিচালনায় আসে এই ধারাবাহিক। এক অসমবয়সী প্রেমের গল্পই ফুটে উঠছে পর্দায়। মাঝবয়সী অ্যাডভোকেট অরিন্দম আর বহুরূপী নোলক, ভাগ্যের পরিহাসে কীভাবে সাত পাকে বাঁধা পড়ে এবং তাদের জীবন এগোতে থাকে, তা নিয়েই মূল গল্প।

বর্তমানে কৌশিক সেনের অভিনয় আপ্লুত দর্শক মহল। তার প্রতিটি অ্যাকশন সিন রোমাঞ্চ এনে দিচ্ছে গোধূলি আলাপের ভক্তদের। প্রতিভা বয়স্ক হার মানায় এই কথাটাই আরো একবার প্রমাণ করে দিলেন কৌশিক রায়। তার অভিনয় এতটাই বাস্তব সম্মত এবং বস্তুনিষ্ঠ যে দর্শক গুলিয়ে ফেলছেন এটা ধারাবাহিক নাকি বাস্তবেই এমনটা ঘটছে। ওনার অভিনয়ে নেই কোন অতিরঞ্জিত সংলাপ আর না আছে কোন অতিনাটকীয় অভিব্যক্তি, আছে শুধু একজন খাঁটি অভিনেতার বাস্তবকে ফুটিয়ে তোলার জাদুকাঠি।
এক নেটিজেন কৌশিক রায়ের অরিন্দম চরিত্রের প্রশংসা করে বলেছেন- ‘গোধূলি আলাপের বর্তমান ট্র্যাক তো বটেই, এমনিতেও এই সিরিয়ালের অন্যতম আকর্ষণ হল এই মারপিটের দৃশ্যগুলো। কৌশিক স্যারের অভিনয়, রিভলভার ধরা সবকিছু এতটাই নিঁখুত যে মনে হয় বাস্তবেই ঘটছে। গুন্ডাদের সাথে লড়াই করতে করতে অরিন্দমের ক্লান্ত হওয়া, হাঁপিয়ে ওঠা, কখনো কখনো যন্ত্রনায় ছটফট করা সবকিছু দৃশ্যগুলোকে বাস্তব করে তোলে। সাহসিকতার পাশাপাশি তার চেষ্টা, পরিশ্রম, প্রয়োজনে পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য নেওয়া এগুলো মনে করিয়ে দেয় যে নায়ক হলেও সে মানুষ। অতিরঞ্জিত সংলাপ বা অভিব্যক্তি ছাড়া এমন মারপিটের দৃশ্য বাংলা ফিল্ম ও টেলিভিশন জগতে খুবই বিরল।’

