শ্যামলীকে বি’শ্বা’স করে অনেক বড় প’দ’ক্ষে’প নিল অনিকেত! লো’ভে প’ড়ে নিজের জা’লে জ’ড়ি’য়ে প’ড়’ল অরুণাভ!
একটার পর একটা বিপদের হাত থেকে নিজের শ্বশুরবাড়িকে বাঁচিয়েই চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছের (Kon Gopone Mon Bhesechhe) নায়িকা শ্যামলী। সম্প্রতি এই ধারাবাহিকটি টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো একটা জায়গায় অবস্থান করছে। এই ধারাবাহিকে নায়িকা দুটি চরিত্রে অভিনয় করছে একটি শ্যামলী এবং অন্যটি তিস্তা। দুটি চরিত্রই দর্শকদের তাক লাগছে অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, শ্যামলীর কাজ কর্ম দেখে তার উপর আবার আগের মতনই ভরসা করতে পারছে অনিকেত। এই এই ভরসার জায়গা থেকেই সে আবার তাদের কোম্পানিতে শ্যামলীকে কাজের সুযোগে করে দিয়েছে। তবে এটা একেবারেই পছন্দ হয়নি অরুণাভ আর তৃষার। অফিসে ঢুকতেই অরুণাভর অনেক বড় কারচুপি ধরে ফেলেছে শ্যামলী। শুধুমাত্র প্রমাণের অভাবে কিছু বলতে পারছে না সে। তবে এবার প্রমাণ জোগাড় করতে ফাঁদ পাতলো নায়িকা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অফিস শেষে বাড়ি ফিরে অরুনাভ চিন্তা করতে থাকে শ্যামলীর জন্য। কারণ সে কাউকে কিছু না বলে কোথাও একটা চলে গিয়েছে এবং তাকে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। এই সুযোগে অপরাজিতা আবার শ্যামলীর নামে অকথা কুকথা বলতে থাকে অনিকেতকে। এরপর সেখানে চলে আসে শ্যামলী। এসেই অনিকেতের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলতে চায় সে। প্রথমে রাগ দেখিয়ে রাজি না হলেও পরে শ্যামলীর গম্ভীর মুখ দেখে অনিকেতের মনে হয় শ্যামলীর কথাগুলো শোনা প্রয়োজন।
শ্যামলী তার স্যারকে বলে, “আমি জানতে পেরে গিয়েছি কে ব্যবসায় চুরি করছে। আমি বাজারে গিয়েছিলাম মিহির দাদার সাথে, আর ওখানেই আসল অপরাধীকে দেখে এসেছি।” অনিকেত সেই ব্যক্তির নাম জানতে চাইলে শ্যামলী বলে, প্রমাণ ছাড়া সে আর একটাও কথা বলবে না। সে হাতেনাতে প্রমাণ দিয়ে অনিকেতকে বুঝিয়ে দেবে। কারণ এখন তার নাম বললে অনেকের শ্যামলীর কথা বিশ্বাস করবে না। অনেকেত শ্যামলীকে বলে, সে তার পাশে আছে কিন্তু শ্যামলী যেন তাকে না বলে কোন কিছু না করে।
পরেরদিন শ্যামলী আর অনিকেত ছদ্মবেশে চলে আসে নিজেদেরই বাড়িতে। সেখানে এসে তারা বলে তারা অনেক বড় করে একটা অনুষ্ঠান করতে চায় যার ব্যবস্থা দ্যা গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারকে করতে হবে। সবাই তখন এক এক করে শ্যামলী অনিকেতের নাম নিলে তারা দুজনে কেউ রাজি হতে চায় না। এরপর অপলা বলে তার ছেলে এই ক্যাটারের সাথে অনেক দিন ধরে যুক্ত। সে এই দায়িত্বটা ঠিক নিতে পারবে। এটা শুনে শ্যামলী আর অনিকেত মনে মনে ভাবতে থাকে, এটাই তো তারা চাইছিল এতক্ষন। এরপর অরুণাভর ওপর সমস্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। অরুণাভ আর তৃষা, নিজেদের মধ্যে এই নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। তারা বলে, এত বড় একটা সুযোগ চলে আসবে সেটা তারা ভাবতে পারেনি। এখন এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়েই তাদের যতটা সম্ভব টাকা সরিয়ে ফেলতে হবে।

