মেডিনেসে ভেজাল! প্রথম দিন কাজে গিয়েই কঠিন সত্যের মুখোমুখি আনন্দী!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল ঘুমের মাঝে বাবাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে আনন্দী। তার বাবা স্বপ্নের মধ্যে এসে আনন্দীকে আশীর্বাদ করে যায়। তাকে নিয়ে সে কতটা গর্বিত সে কথা বলে। বাবাকে স্বপ্নে দেখে আনন্দী বাবার কাছে ছুটে যেতে চায়। তখনই আদি তাকে সামলে নেয়। আনন্দী বাবাকে নিয়ে সবসময় ভাবে তাই জন্যই সে স্বপ্ন দেখেছে বাবাকে নিয়ে। পরের দিন সকালে আনন্দী সকলের আশীর্বাদ নিয়ে ঠাকুর প্রণাম করে নার্সিংহোমের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়। কিন্তু আনন্দীর এই চাকরি পাওয়া একদমই পছন্দ করে না চৈতি। তারপর সব বাধা পেরিয়ে আদি আনন্দীকে গাড়িতে বসিয়ে নার্সিংহোমে নিয়ে যায়।

আনন্দী আজকের পর্ব ১৭ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 17 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী নার্সিংহোমে যাওয়ার পর বাচ্চারা তো তাকে দেখে ভীষণ খুশি হয়ে যায়। কিন্তু বাচ্চারা সকাল থেকে কিছুই খায়নি, তাদের দেওয়া ব্রেকফাস্ট ও তারা সামনে ফেলে রেখেছে। এটা দেখার পর আনন্দী তো বাচ্চাদের খাওয়ানোর নানান রকম চেষ্টা করে, কিন্তু বাচ্চারা বলে এই খাবার তারা খেতে পারবে না। তারপর আনন্দী দেখে বাচ্চাদের যে খাবার দেওয়া হয়েছে সেখানে পাউরুটিগুলো পোড়া, স্যুপে ঠিকমতো সবজি নেই পাতলা জল, সুজিতে চিনি নেই। কোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ এই খাবার খেতে পারে না। আর বাচ্চারা যদি খাবার না খায় তাহলে ওষুধ খেতে পারবে না, তারা অসুস্থ হয়ে পড়বে।
আদি আনন্দীর মাঝে তিতির
তারপর হঠাৎ করে কেবিনে আসে আদির কাকা। তিনি এসে বাচ্চাদের গলা শুনে তো ভীষণ খুশি হয়। কিন্তু আনন্দী জানায় বাচ্চাদের খাবার এতটাই বাজে যে বাচ্চারা কেউ খেতে চাইছে না। আদির কাকা খাবার গুলো দেখেন এবং সত্যিই বুঝতে পারে খাবারের মান কতটা নেমে গিয়েছে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে যান নন্দিনীর কাছে এই বিষয়ে কথা বলতে। আদির কাকা গিয়ে খাবারের মান সম্পর্কে সবকিছু জানায়। কিন্তু নন্দিনী তো কোন কথায় গুরুত্ব দেয় না, আনন্দীকে নিজের কাজ করতে বলে, এইসব বিষয়ে মাথা ঘামাতে না করে। অন্যদিকে আনন্দী আদিকে খুঁজতে কেবিনের বাইরে বেরিয়ে দেখে আদি তিতিরকে ফোন করছে, কিন্তু ফোনে পাচ্ছে না তাই তাকে নিয়ে চিন্তা করছে। এটা দেখে আনন্দীর তো ভীষণ রাগ হয় সঙ্গে সঙ্গে আদিকে প্রশ্ন করে আদি জানায় তিতির একজন ডাক্তার, সমস্ত সার্জারিতে সে তার পাশে থাকে তাই তাকে নিয়ে চিন্তা তো হবেই। পরিস্থিতি সামলাতে না পেরে আদি সেখান থেকে চলে আসে।
আরও পড়ুনঃ ৬ বছর পর ফের ছোট পর্দায় সকলের প্রিয় পাখি! আসছে মধুমিতা সরকারের নতুন ধারাবাহিক ‘বিলাসী’!
এরপরে আনন্দী ডিউটি শেষ হয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। বাড়িতে এসে বাচ্চাদের খাবার নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে থাকে। কি করা যায় বাচ্চাদের জন্য। এরপরে আনন্দী বিজয়ারা মিলে খেতে বসে। সেখানেই খাবার টেবিলে আনন্দীর মাথায় একটা বুদ্ধি আসে। আনন্দী বিজয়াকে বলে বাচ্চাদের জন্য খাবার তৈরি করে দিতে। এই কথা শুনে বিজয়া তো প্রথমে ঘাবড়ে যায়। কারণ যদি এই কথা সবাই জানতে পারে তাহলে আর রক্ষে থাকবে না। আনন্দীও কথাটা ভেবে দেখে, যদি সবাই জানতে পারে তাহলে সত্যিই একটা অশান্তি হবে। আনন্দী ভাবতে থাকে কি করা যায়, তার মাথায় একটা বুদ্ধি আসে। আনন্দী ভাবে যদি ক্লাউড কিচেনের কোন স্টিকার এনে বিজয়ার রান্না করা খাবারের প্যাকেটগুলিতে আটকে দেওয়া যায় আর সেই খাবার নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে তো কারোর আর কিছু বলার থাকবে না। তাই জন্য আনন্দী কিছু স্টিকার সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। এবারে দেখা যাক আনন্দীর এই চেষ্টা সফল হয় কিনা, কি হয় আগামী পর্বে।

