ব্যক্তিগত কারণে প্রিয় মানুষের জন্য পেশা ছাড়তে বাধ্য হলো জ্যাস ওরফে অঙ্কিতা মল্লিক!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। শুরুর থেকেই ব্লুজ প্রোডাকশন হাউজের এই ধারাবাহিকটি জায়গা করে নিয়েছিল দর্শকদের মনে। জগদ্ধাত্রীর হাত ধরেই নিজেদের পুরোনো গৌরব আবার ফিরে পেয়েছে ব্লুজ প্রোডাকশন হাউজ। অসাধারণ কাহিনী এবং তার সঙ্গে ধারাবাহিকের একাধিক চরিত্র বণ্টন সব মিলিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রেখেছে জগদ্ধাত্রী।

জ্যাসের চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করেছিলেন অঙ্কিতা মল্লিক

তবে জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকের মূল জনপ্রিয়তার পিছনে রয়েছে স্বয়ং জগদ্ধাত্রী বা জ্যাস সান্যাল। জ্যাস অসাধারণ অ্যাকশন আর তীক্ষ্ম বুদ্ধি আর বিচক্ষণতা বারবার মুগ্ধ করেছেন ধারাবাহিকের অনুরাগীদের। ধারাবাহিকটিতে জগদ্ধাত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছেন অঙ্কিতা মল্লিক। জগদ্ধাত্রী ধারাবাহিকটি অঙ্কিতাকে রাতারাতি পৌঁছে দিয়েছে জনপ্রিয়তার শিখরে। আর তেমনই অঙ্কিতার হাত ধরেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জগদ্ধাত্রী।

জ্যাসের চরিত্র থেকে বিদায় নিচ্ছেন অঙ্কিতা মল্লিক

তবে শোনা যাচ্ছে বিরাট খবর। জানা যাচ্ছে জ্যাস সান্যালের চরিত্র থেকে বিদায় নিচ্ছেন অঙ্কিতা। সংবাদটি প্রকাশ্যে আসা মাত্রই শুরু হয়েছে বিরাট জল্পনা। যদিও জানা গেছে কর্মক্ষেত্রে সমস্যা নয়, ব্যক্তিগত কারণে প্রিয় মানুষের জন্যই এবার পেশা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন জ্যাস ওরফে অঙ্কিতা। জ্যাস সান্যালের সহকর্মীরা সকলের জ্যাসের এইভাবে কর্ম জীবন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত যেন এখনও মেনে নিতে পারছেন না।

কেন কর্মজীবন থেকে সরে যাচ্ছেন জ্যাস সান্যাল?

সম্প্রতি স্বয়ম্ভুকে নিয়ে তোলপাড় হয়ে উঠেছে জ্যাস সান্যালের জীবন। ভালোবাসা না পেশা দুজনের মাঝে একপ্রকার নাস্তানাবুদ হয়ে যাচ্ছেন তিনি। আসলে কাকলি দেবীকে কিডন্যাপ করেছিল উৎসব, দেবু আর দিব্যা সেন। তবে কাকলি দেবীকে বন্দী অবস্থায় দেখে নেয় কাঁকন। কিন্তু জগদ্ধাত্রীকে জানানোর আগেই তাকে ধরে ফেলেন কিডন্যাপাররা। যদিও জগদ্ধাত্রীর বিচক্ষণতার কারণে গুন্ডাদের হাত থেকে মুক্তি পান কাকলি দেবী এবং কাঁকন।

আরো পড়ুন: এক বিশ্রী পরিস্থিতির শিকার রাই! কে রয়েছে এর পিছনে? জেনে গেলো অনির্বাণ!

তারপরই শুরু হয় ইন্টারোগেশন। কিন্তু সত্যিটা সামনে আসার আগেই স্বয়ম্ভুকেও ফাঁসিয়ে দেয় দেবু। কিডন্যাপের ফোন থেকে স্বয়ম্ভুকে ফোন করে এবং টাকার প্রসঙ্গে একটি মেল পাঠিয়ে স্বয়ম্ভুকেও কেসে ফাঁসিয়ে দেয় দেবুদা। ফলেই না চাইলেও স্বয়ম্ভুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকতে বাধ্য হয় জ্যাস। স্বয়ম্ভু নির্দোষ জেনেও নিজের কর্ম বেঁধে দেয় তার হাত। ফলেই জগদ্ধাত্রী নিয়েছে বড় সিদ্ধান্ত। জ্যাস সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় স্বয়ম্ভুর কেসের সমাধান হওয়ার পরই ডিপার্টমেন্ট ছাড়বে সে। যদি জ্যাস সান্যাল ডিপার্টমেন্ট ছেড়ে দেয় তাহলে কেমন লাগে লাগবে আপনাদের?

Back to top button