মেঘের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীলকে যোগ্য জবাব অনিন্দ্যর! বাবা হয়ে কীভাবে মেয়ের মেরুদন্ড হতে হয় তা সকলকে দেখাচ্ছে তিনি

এই মুহূর্তে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের একটি অতি চর্চিত ধারাবাহিক হচ্ছে ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। শুরু থেকেই ধারাবাহিকটিকে অনেক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। শুরু হওয়ার পর থেকে ধারাবাহিক টিআরপিতে তেমন ভালো ফল করতে পারেনি। তবে দর্শকদের মনে অনেকটাই জায়গা করে নিয়েছে।

ইচ্ছে পুতুল যে প্লট নিয়ে শুরু হয়েছে

ধারাবাহিকের প্লট অনুযায়ী দুই বোন একই ব্যক্তিকে ভালোবাসে আর সেখান থেকেই বড় বোন ময়ূরী ছোট বোনের সংসার ভাঙার পরিকল্পনা নেয়। যদিও ময়ূরী বরাবরই মেঘের ক্ষতি চেয়ে এসেছে তাকে ছোট করে এসেছে। তবে এইবার মেঘকে তার শ্বশুরবাড়ি ছাড়া করে তবে শান্তি পেয়েছে সে।

আজকের পর্বে বাবা মেয়ে সমীকরণ মুগ্ধ করবে সকলকে

খারাপ সময় খুব কম মানুষকেই পাশে পাওয়া যায়। যাদেরকে পাওয়া যায় তাদের মধ্যে অন্যতম হলো বাবা এবং মা। এইতো মেঘের কপাল খুব খারাপ তাই মা তার পাশে নেই। মেঘের মা নিজের বড় মেয়ে ময়ূরীর ভালোবাসায় স্নেহে অন্ধ হয়ে গিয়েছে। মেঘের মা এবং বাবা দুই জায়গাটাই পূরণ করেছে তার বাবা আনন্দ। এই ধারাবাহিকের বাবা এবং মেয়ের সম্পর্কের সমীকরণ সত্যিই হৃদয়স্পর্শী।

আরো পড়ুনঃ বাবা মায়ের সামনে ময়ূরীর সমস্ত মুখোশ টেনে খুলে দিল মেঘ! তবে কি এবার ময়ূরীর সব কুকীর্তি ফাঁস হয়ে গেল সকলের সামনে?

মেঘ যতবার পিছিয়ে আসতে চেয়েছে যতবার ভয় পেয়েছে কষ্ট পেয়েছে প্রত্যেকবার পাশে এসে কাঁধে হাত রেখেছে, মেঘের বাবা। সব সময় এগিয়ে যেতে বলেছে। আজকালকার সমাজের বাবা মায়ের মতো সবটা মুখ বুজে মেনে নিতে না বলে বরং সব ফেলে এগিয়ে যেতে বলেছে। সে বলেছে সব প্রমাণ করার দায়িত্ব তার নয়। সময় আসলে সব আপনা আপনি প্রমান হবে। তাকে শুধু এখন লড়াই করে যেতে হবে আর জিততে হবে কারণ যেটা ছাড়া তার কাছে আর অন্য কোন উপায় নেই।

আজকের পর্বের শেষে আবার নীলের মূর্খামির পরিচয় পেল দর্শক

অন্যদিকে মেঘকে ইউনিভার্সিটি ছাড়তে যাওয়ার সময় নীলের সাথে দেখা হয় মেঘের বাবা অনিন্দর। সেখানেও অনিন্দ চুপ করে থাকেনি, অত্যন্ত ভদ্রভাবে এবং শান্তভাবে নীলকে উচিত জবাব দিয়েছেন তিনি। নিমকি তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, মেঘের সাথে তার বিয়ে দেওয়াটা তার জীবনের সবথেকে বড় ভুল। নীল কোন অংশেই মেঘকে ডিজার্ভ করে না। তিনি একটি নকল হীরে কে আসল হীরে ভেবে অনেক বড় ভুল করে ফেলেছেন। সমাজের যদি প্রতিটি বাবা মেয়ের সম্পর্ক এতটা নিবিড় হতো তাহলে হয়তো প্রতিটি মেয়েই নিজের চলার পথে আরো অনেক বেশি মসৃণ হতে পারত। এই বাবা মেয়ের সমীকরণটি বেশ প্রশংসিত হচ্ছে দর্শক মহলে।

Back to top button