অনিন্দিতার বেফাঁস মন্তব্যে আসলে সত্যিটা ফাঁস হল জ্যাসের সামনে! কৌশিকীর কথাই ভয় পেল বৈদেহি!

চলতি সপ্তাহেও বাজিমাত করলো জি বাংলা। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক একটি আর সেটি হল জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। এই সপ্তাহে টিআরপিতেও বেঙ্গল টপার হলো এই ধারাবাহিক। পূর্বের তুলনায় অর্থাৎ গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে ধারাবাহিকের প্রাপ্ত নম্বর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রত্যেকদিন নতুন নতুন চমক এবং ধারাবাহিকের নায়িকার অসাধারণ অভিনয় মন জয় করে নিচ্ছে দর্শকদের।

এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, জগদ্ধাত্রী চেষ্টা করছে এক মায়ের কাছে তার ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়ার। তবে সেটা করতে গিয়ে অনেক নতুন জটের সম্মুখীন হচ্ছে সে। একটা একটা করে জট খুলতে খুলতে জল কোন দিকে গড়ায় সেটাই এখন দেখার বিষয়। এর মাঝে ক্ষেপে উঠেছে জগদ্ধাত্রী শ্বশুরবাড়ির লোকজন। প্রত্যেকে জগদ্ধাত্রীকে একদম সহ্য করতে পারছে না। এই মুহূর্তে ওই বাড়িতে তার পাশে যদি কেউ থেকে থাকে তাহলে সেটা একমাত্র কৌশিকী মুখার্জী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সবাই মিলে কৌশিকীকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে উৎসব তার ভাই তাই সে যেন একটু নরম হয় এতটা হৃদয়হীন যেন সে না হয়ে পড়ে। তখন কৌশিকী তার কাকিমণিকে বলে, “ঠিক ২ ইঞ্চি দূরত্বে গুলিটা আমার হৃদয় থেকে দূরে গেঁথেছিল তাই আজকে আমি বেঁচে আছি। আমি যদি মরে যেতাম তখন তোমাদের চোখে জল আসতো তো? হ্যাঁ আসতো তবে সেটাকে কুমিরের কান্না বলে। যখন তোমাদের ছেলে একের পর এক অন্যায় করে গিয়েছে তখন মনে হয়নি তাকে আটকানোর কথা? এখন আর কিছু করার নেই উৎসব শাস্তি পাবেই পাবে। আমাকে মেরে ফেলার মত জঘন্য অপরাধ যখন সে করতে পেরেছে আমার বাচ্চাটার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে পেরেছে তখন এই শাস্তিটা ওকে পেতেই হবে।” এই বলে সেখান থেকে চলে যায় কৌশিকী।

অন্যদিকে, সেই দিন ওই পার্টিতে ঠিক কি হয়েছিল এবং ঋষির সাথে কি কি ঘটেছিল সেই সবটাই জানতে চায় জগদ্ধাত্রী। প্রথমে অনেক দোনোমনো করলে পরবর্তীতে সবাই সবকিছু বলতে রাজি হয়ে যায়। সেখান থেকে যা জানা যায় তাতে করে একটা ধোঁয়াশা থেকেই যায়। ইতিমধ্যেই জগদ্ধাত্রী একটা জিনিস জানতে পারে সেটা হল অস্মিতার বেস্ট ফ্রেন্ড সোহিনী ও ঋষি নামক ছেলেটির প্রতি ক্রাশ ছিল। এরপরে তাকে ফোন করে অনিন্দিতা। জগদ্ধাত্রী বুঝা যায় তার প্রত্যেকটা পদক্ষেপ এর ওপর সে নজর রাখছে।

আরো পড়ুন: ওলট পালট টিআরপি! আবার একবার টিআরপি টপার জগদ্ধাত্রী! তবে এবার লীনা অপরাজিতার যুগলবন্দীকে হারালো স্বীকৃতি কৌশিক!

জগদ্ধাত্রী কোথায় কাকে কি জিজ্ঞাসা করছে সবকিছু ভালোভাবে খতিয়ে দেখছে সে। বেশ অবাক লাগে তার। সে বুঝতে পারে সবাই ১০০% সত্যি কথা বলছে না। কোন একটা জিনিস তার থেকে লুকিয়ে যাওয়া হচ্ছে আর সেটা খুঁজে বের করতে পারলেই ঋষিকে পাওয়া যাবে। এর মাঝেই অনিন্দিতা জগদ্ধাত্রীকে বলে ফেলে যে তার মেয়ে ঋষিকে খুন করেনি। এখানে জগদ্ধাত্রী তাকে চেপে ধরে আর বলে ঋষি যখন হয়েছে সেটা এত ভাব নিশ্চিতভাবে কিভাবে বলছে অনিন্দিতা? কোনভাবে কথা দিয়ে বিষয়টাকে ম্যানেজ করলেও জগদ্ধাত্রীদের মনে খটকাটা লেগেই থাকে। এরপর কাজ শেষে বাড়ি ফিরে রান্নাঘরে রান্না করে জগধাত্রী আর সেই সময় মেহেন্দি এসে তার সঙ্গে নতুন করে ঝামেলা শুরু করে।

Back to top button