জ্যাকির পর্দা ফাঁ’স করতে এবার রাস্তায় নামলো শ্যামলী! বউয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনিকেত!

আবারো নিজের বুদ্ধির জোরে বেঁচে গেলো জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় সম্প্রচারিত কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী। এই ধারাবাহিকে নায়িকাকে দুটি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখছেন দর্শক মহল। টিআরপি তালিকাতেও এই মেগা ধীরে ধীরে নিজের জায়গা পাকা করছে। বর্তমানে ধারাবাহিকের নায়িকা অনেক বড় ঝুঁকি নিচ্ছে কাছের মানুষকে নির্দোষ প্রমান করার জন্য।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অনিকেত একটা প্ল্যান করে। সে বলে জ্যাকির বাড়িতে গিয়ে রান্নার লোক সেজে যদি শ্যামলী কিছু অন্তত জানতে পারে তাহলে বেশ সুবিধা হয়। শ্যামলী এক কথায় রাজি হয়ে যায়। সেখানে গিয়ে অনেক কষ্টে সবটা সামলায় সে। বহুবার ধরা পড়তে পড়তে বেঁচে যায় নায়িকা। নিজের হাতের রান্না খাইয়ে সবাইকে মুগ্ধ করে এবং জ্যাকির খোঁজ জেনে তারপরেই বাড়ি থেকে বেরোয় সে। অনেক বুদ্ধি করে একা হয়ে সবটা সামলায় নায়িকা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনিকেত অনেকক্ষণ চেষ্টা করে আড়াল থেকে জ্যাকির ভিডিও করার কিন্তু পিছন ঘুরে বসে থাকার জন্য সেটা সম্ভব হয় না। তখনই অনিকেতকে ফোন করে শ্যামলী আর তার ফোনটা ভাইব্রেট হয়। সে আওয়াজটা শুনতে পেয়ে যায় জ্যাকি। বিপদ বুঝে সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে চলে যায় অনিকেত। বিষয়টা নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়ে যায় জ্যাকি। তাই কিছুটা সাবধান হয়ে যায় সে। এদিকে রোহিনী জিজ্ঞেস করে, ভিডিওটা কি করা সম্ভব হয়েছে? অনিকেত বলে এই মুহূর্তে হয়নি তবে অবশ্যই হবে। শ্যামলী রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলো। তাকে নিয়ে বাড়ি ফেরে অনিকেত।

বাড়ি ফিরতেই সবাই একটু স্বস্তির বিশ্বাস ফেলে। প্রিয়ার হবু শাশুড়ি মা বলে, “একটা বাইরের মেয়ের কথা শুনে এত বড় ঝুঁকি নেওয়াটাকি ঠিক হচ্ছে? এসব ঝামেলা কি না করলেই নয়? শুধু শুধু আমার ছেলেটা জেলে পড়ে রয়েছে।” প্রিয়ার মা বলে, তার মেয়েটাও জেলে রয়েছে। আর ওদেরকে বের করতে গেলে কিছু তো বেবস্থা নিতেই হবে। এরপর শ্যামলী বলে জ্যাকির খোঁজ পাওয়া গেছে। তার মানে অর্ধেক কাজ শেষ, বাকি অর্ধেকটা যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ তাদের উপর একটু ভরসা রাখতে হবে। তারা অবশ্যই সব ঠিক করে দেবে।

আরো পড়ুন: অবশেষে প্রিন্সিপালের কথায় নিজের ভুলটা বুঝতে পারলো সার্থক! অনির্বাণের কথায় অবাক হয়ে গেল রাই!

এর মাঝে অনিকেত শ্যামলীকে জিজ্ঞেস করে, তিস্তার নম্বর সে পেলো কোথা থেকে? শ্যামলী কথা ঘোরানোর জন্য বলে, “তিস্তা কি কোনো নায়িকা নাকি যে নম্বর পাওয়া যাবে না! আর আমায় জানতে হবে না যে আপনি কোন কোন মেয়েদের সাথে কথা বলেন।” এই নিয়ে দুজনের মধ্যে কিছুক্ষণ কথা বার্তা চলে তারপর অনিকেত সেখান থেকে চলে যায়। তারপর সবার উপস্থিতিতে অনিকেত আরো একটা প্ল্যান করে। সে বলে, জ্যাকির ভিডিও করতে গেলে ওকে বারান্দায় আনতে হবে। আর তার জন্য ওর দুর্বলতার সুযোগ নিতে হবে। রোহিনী আর শ্যামলীকে কিছু মর্ডান জামা কাপড় পরিয়ে দেওয়া হবে। ওই রাস্তায় ওরা হাঁটবে, আর জ্যাকি ওদেরকে দেখতেই বাইরে বেরোবে। অপরাজিতা বলে, শ্যামলী ওসব পারবে কিন্তু রোহিনী ভদ্র বাড়ির মেয়ে। ও এসব পারবে না। অনিকেত বলে, “আজ বাইরের মেয়ে হয়ে শ্যামলী যা যা করেছে তার তুলনা হয় না। একটা বাইরের মেয়ে হয়েও ও নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতে দুবার ভাবেনি। তাই ওর উপর ভরসা করা উচিত।”

Back to top button