জ্যাকির সন্ধান পেয়ে গেল অনিকেত, বনমালীর চালে অনেক বড় বি’প’দের মুখে শ্যামলী!

এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত নতুন ধারাবাহিক গুলি তাদের আধিপত্য বিস্তার করছে তার মধ্যে অন্যতম হলো কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। শুরু হওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকটি সুন্দর গল্প পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিতে সক্ষম হয়েছে। টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফলাফল করতে দেখা যাচ্ছে এই ধারাবাহিকটিকে। তবে এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের নায়িকা অনেক বড় একটি বিপদের সম্মুখীন হয়েছে।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, নায়িকা শ্যামলী তার ননদ প্রিয়া এবং প্রিয়ার হবু স্বামীকে বাঁচানোর জন্য স্বয়ং বাঘের গুহায় প্রবেশ করেছে। এক অসৎ ব্যক্তির হাতে যখন অঢেল ক্ষমতা থাকে তখন ঠিক কতটা খারাপ হতে পারে সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে এই ধারাবাহিক। কিন্তু শ্যামলী এসবে ভয় পায় না। শেষ তার প্রিয়া দিদিকে বাঁচানোর জন্য সব কিছু করতে পারে। তাই জ্যাকির খোঁজ জানতে তার বাড়িতেই ছদ্মবেশ নিয়ে ঢুকে পড়েছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বনমালী অর্থাৎ ওই পুলিশ অফিসারের বাড়ির কাজের লোক শ্যামলীর নামে নালিশ করে তার বড় বাবুকে। সে বলে, মেয়েটা বারবার কানে হাত দেয় আর কি যেন গুজগুজ করে। মনে হয় ওর কানে কিছু একটা লাগানো রয়েছে। ও সব সময় কারো সঙ্গে কথা বলতে থাকে। এটা শুনে বেশ সন্দেহ হয় জ্যাকির বাবার। সে সাথে সাথে চলে যায় শ্যামলীর কাছে। কিন্তু তার কিছুক্ষণ আগেই শ্যামলীর সন্দেহ হচ্ছিল এই বিষয়টা নিয়ে। তার মনে হচ্ছিল কেউ হয়তো তার ওপর নজর রাখছে। তাই সে ব্লুটুথ গুলো আগেভাগেই খুলে রেখেছিল। বনমালির সন্দেহ মিথ্যে প্রমাণিত হয়। তবে শ্যামলীর ফোন নিয়ে নেয় জাকির বাবা।

এরপর রান্নাবান্না শেষ করে সবাইকে খেতে দেয় শ্যামলী। শ্যামলীর হাতের রান্না খেয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ পরিবারের প্রত্যেকে। জ্যাকির বাবা বলে, এমন রান্না যদি প্রতিদিন পাওয়া যায় তাহলে তো আর হোটেল রেস্টুরেন্টে যেতে হবে না। সে আরো বলে, শ্যামলী যেন একেবারেই কামাই না করে। প্রত্যেকদিন যেন সময় মতো চলে আসে। যেহেতু তার ফোনটা তার কাছে ছিল না তাই শ্যামলী তার আরেকটা ফোন দিয়ে অর্থাৎ তিস্তার ফোন দিয়ে তিস্তা সেজে অনিকেতকে ফোন করে সব সত্যিটা জানায়। সে বলে শ্যামলী তাকে ফোন করেছিল আর তাকে জানিয়েছে সে সম্পূর্ণ ঠিক আছে। কিছুক্ষণ পরেই একটি লোক গাড়ি করে খাবার নিয়ে বেরিয়ে যাবে তাকে ধাওয়া করলেই জ্যাকির খোঁজ পাওয়া যাবে।

সব শুনে অনিকেত ভাবতে থাকে শ্যামলী তাকে ফোন না করে হঠাৎ তিস্তাকে কেন ফোন করল। কিন্তু এই মুহূর্তে এসব না ভেবে ওই গাড়িটার পিছু করা উচিত বলে মনে হওয়ায় সে এই সমস্ত ভাবনা-চিন্তা সেখানেই থামিয়ে দেয় আর ওই গাড়িটাকে ধাওয়া করতে থাকে। গাড়িটা যেখানে থামে সেখানেই রয়েছে জ্যাকি এবং তার বন্ধুরা। এত বড় অন্যায় করার পরেও মহানন্দে রয়েছে সে। খাবারটা নিতে আসতেই অনিকেত দেখে ফেলে তাকে। তারপর ফোনের ক্যামেরা অন করে জ্যাকির ভিডিও করা শুরু করে। অন্যদিকে শ্যামলী বেরিয়ে পড়ে অনিকেতের উদ্দেশ্যে।

Back to top button