অয়ন মৌমিতাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিল অখিলেশ! ইশাকে গ্রেফতার করলো পুলিশ

এতদিন ধরে ভক্তরা অপেক্ষা করেছিলেন কবে শাস্তি পাবে আসল অপরাধী। এইবার দর্শকদের সেই ইচ্ছে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পূরণ করল জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। ফের জমে উঠেছে ধারাবাহিকের গল্প। টিআরপি একেবারে তুঙ্গে। ধারাবাহিকের নায়িকা চরিত্রে রয়েছে পল্লবী শর্মা এবং নায়ক চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে রুবেল দাসকে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা দুইজন একটা পরিকল্পনা করে ইশাকে ফাঁদে ফেলার। আর তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ফাঁদে পড়ে ইশা। তাকে ভয় দেখিয়ে সমস্ত সত্যি কথা বের করে নেয় ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। সেইসব শুনে হয়ে যায় গোটা দত্ত পরিবার। এতটা অপরাধ মনস্ক কেউ কি করে হতে পারে সেটাই ভেবে পায় না তারা। এই দিনের পর্বে আরো অনেক বড় রহস্যের খোলসা করলো ইশা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সলতের আগুন একেবারে শেষের পথে, সত্যি কথাগুলোর না বললে ইশার গলাতেই আজ বাজির বর্ষা হবে। প্রচন্ড ভয় পেয়ে যায় ইশা। সে সমস্ত কিছু শিকার করে নেয়। কিন্তু রুচিরার বিষয়টা ওঠায় সে কিছুটা চুপ করে যায় কারণ সেটা অনেক বড় একটা জঘন্য অপরাধ। শেষ পর্যন্ত সেটাও বলতে বাধ্য হয় সে। ইশা স্বীকার করে যে সেই রনির সাথে হাত মিলিয়ে রুচিরাকে মারার পরিকল্পনা করেছিল এবং সেই দোষটা পর্ণার ঘাড়ে চাপাতে চেয়েছিল।

এটা শোনার পরও অভি বাবু কৃষ্ণাকে বলে, “এই মেয়েকে বাড়ির বউ করে আনতে চেয়েছিলে তুমি? এখন বুঝতে পারছ এই মেয়েটা কতটা সংঘাতিক?” কৃষ্ণা বলে তার অনেক বড় ভুল হয়ে যাচ্ছিল। সে যদি আগে জানত তাহলে কারোর কথায় প্রভাবিত হতো না। বেশ ভয় পেয়ে যায় অয়ন মৌমিতা কারণ নামটা একবার ফাঁস হয়ে গেলে অনেক বড় বিপদে পড়ে যাবে তারা। এরপর সেখানে চলে আসে পুলিশ এবং ইশাকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে চলে যায়। পর্ণা বলে, তার কাছে ইশার বলা কথা গুলো সব রেকর্ড করা আছে। খুব তাড়াতাড়ি সেই রেকর্ডিংটা পুলিশকে পাঠিয়ে দেবে সে।

এরপর অয়ন আর মৌমিতা ভালোয় ভালোয় সেখান থেকে সরে যেতে চাইলেই তাকে আটকায় পর্ণা। সে বলে, “আচ্ছা তোমাদের কারোর মনে প্রশ্ন জাগছে না যে আমাদের বাড়ির এত খবর ইশা কিভাবে পেল? এইসব খবর ওকে পৌঁছে দিয়েছে দাদা আর দিদি। শুধু তাই নয়, আমাদের গেস্টদের ক্ষতি করতে এবং আমাদের খাদে ফেলতে খাবারের জোলাপ অব্দি মেশাতে গিয়েছিল দিদি। সেই ভিডিও আমার কাছে রয়েছে।” ভিডিওটা দেখেই অয়নকে মারতে শুরু করে জেঠু। এরপর সে বলে, এই অখিলেশ সাদা কে সাদা আর কালোকে কালো বলার মানুষ। সে কখনো অন্যায় মেনে নেয়নি আর আজও মেনে নেবে না এই বলে অয়ন আর মৌমিতাকে ঘাড় ধরে বের করে দেয় সে।

Back to top button