আবারোও এক মর্মান্তিক মৃ’ত্যু! মিঠুন চক্রবর্তীর জীবনে বিরাট দুঃসংবাদ!

বাংলা বিনোদন জগতের একজন অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা হলেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। বর্তমানে বিনোদন জগতে তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত মুখ। কিছুদিন আগেই দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বাংলা এবং হিন্দি অর্থাৎ টলিউড ও বলিউড উভয় ইন্ডাস্ট্রিতেই মিঠুন চক্রবর্তী একজন বিরাট তারকা। তবে এইবার তার জীবনে ঘটে গেল এক বিরাট দুর্ঘটনা।
বর্তমানে পেশাগত জীবনে সফলতা পেলেও কেরিয়ারের শুরুতে তাকে অনেকটাই স্ট্রাগল করতে হয়েছে। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে টলিউড এবং বলিউড হয়ে জায়গাতে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে স্ত্রী পুত্র কন্যাকে নিয়ে সুখী দাম্পত্য জীবন কাটালেও, শুরুতে এটার ব্যক্তিগত জীবন মোটেই সুখকর ছিল না। ব্যক্তিগত জীবনে চরম অসফল হয়েছিলেন তিনি।
মিঠুন চক্রবর্তী জীবনের শুরুতে বিয়ে করেছিলেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী হেলেনা লুককে। এইবার তার জীবনেই নেমে এলো অন্ধকার। প্রয়াত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তীর প্রথম স্ত্রী হেলেনা লুক৷ জানা যাচ্ছে আমেরিকায় নিজের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন একসময়ের এই ডাকসাইটে সুন্দরী৷ সমাজমাধ্যমের পাতায় হেলেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন নৃত্যশিল্পী তথা অভিনেত্রী কল্পনা আইয়ার৷
জীবনের শুরুতে ১৮৮৫ সালে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার পর বলিউডে বিরাট জনপ্রিয়তা লাভ করেন হেলেনা ৷ তাঁকে মর্দ ছবিতে দেখা গিয়েছিল বচ্চনের বিপরীতে ৷ তারপরেই মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন অভিনেত্রী৷ তবে এই বৈবাহিক সম্পর্ক খুব বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। এই বিয়েকে তারা তাদের জীবনের সবথেকে বড় ভুলগুলোর মধ্যে অন্যতম বলে চিহ্নিত করেছেন।
মাত্র চার মাস ছিল তাদের বৈবাহিক সম্পর্কের বয়স। চার মাসের মাথায় তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে৷ এই রবিবার সকাল ৯:২০ মিনিটে ফেসবুকে লাস্ট পোস্ট করেন অভিনেত্রী৷ যেখানে তিনি লেখেন, “কীরকম একটা অস্বস্তি অনুভূতি হচ্ছে৷ জানি না কেন৷ খুব কনফিউসড লাগছে৷” অদ্ভুতভাবে সেইদিনই হেলেনা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ হয়তো নিজের মৃত্যুর পূর্বাভাস আগে থেকেই পেয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: প্রাইম টাইমে না থেকেও ছক্কা হাঁকাল দুই শালিক! ধারাবাহিকটিকে প্রাইম টাইমে আনার দাবি দর্শক মহলের!
স্টারডাস্ট ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে তিনি মিঠুন চক্রবর্তীর সাথে সম্পর্ক নিয়ে অনেক বিষয় খোলসা করেন৷ সেই বিয়েকে হেজি ড্রিম বলে আখ্যা দিয়েছিলেন তিনি৷ সেই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এই বিয়ে যদি না হত ভালো হত৷ মিঠুন আমার ব্রেনওয়াশ করেছিল৷ সে আমায় বুঝিয়েছিল আমার জীবনে সেই পারফেক্ট৷ দুর্ভাগ্যবশত সে সফল হয়৷ আমি মিঠুনের কাছে কোনওদিন ফিরব না৷ ও যতই বড়লোক হোক না কেন। আমি বিবাহ বিচ্ছেদের পর খোরপোশও চাইনি তাঁর কাছ থেকে৷ ওর সঙ্গে বিয়ে জীবনে ভয়ঙ্কর স্বপ্নের মতো৷ আর সেটা শেষ হয়েছে৷”

