নীলের জায়গায় নতুন মানুষের আগমন হলো মেঘের জীবনে! রইল আজকের বিশেষ পর্ব

বর্তমানে জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলের একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিকটি ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। এই ধারাবাহিকটিকে নিয়ে বর্তমানে দর্শকদের কৌতূহলের অভাব নেই। বর্তমানে দর্শকরা অপেক্ষা করে আছে সেই দিনটার জন্য যেদিন ময়ূরীর মুখোশ খুলে যাবে, রূপের আসল চেহারা সামনে আসবে এবং মেঘের পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইবে নীলের গোটা পরিবার।

ধারাবাহিকটি টিআরপিতে তেমন ভালো ফল করতে পারেনি। কিন্তু তারপরেও এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে। চুপচাপ শান্তশিষ্ট সব অন্যায় মুখ বুঝে সহ্য করে নেওয়া মেঘ যখন প্রতিবাদী রূপ ধারণ করে তখনই দর্শকদের আকর্ষণ অনেক গুণ বেড়ে গেছে। এখন মেঘ আর চুপ করে থাকে না সে তাকে করা প্রত্যেকটি অপমানের উচিত জবাব দেয়।

মেঘের কথায় ভয় পেয়ে গেল ময়ূরী

মেঘ প্রতিযোগিতায় যাওয়ার জন্য যখন তৈরি হচ্ছিল তখন তার ঘরে আসে ময়ূরী। মেঘকে এত সুন্দর ভাবে সাজতে দেখে ময়ূরী তাকে বলে, সে কি বিচারকদের সি’ডি’উ’স করতে চাইছে তাই এত সুন্দর করে সাজছে নাকি নীলকে দেখানোর জন্য? এমন কথা শুনে মেঘ তার দিদিকে নীচ বলে মন্তব্য করে। ময়ূরী এতটাই দুকান কাটা যে মেঘের কথায় তার বিশেষ কিছু আসে যায় না। মেঘ ময়ূরীকে বলে এর আগের প্রতিযোগিতায় তার গলা ভালো ছিল না কিন্তু এইবার সে সম্পূর্ণ সুস্থ কারণ আগের বারের মতন তাকে আইসক্রিম খাওয়ানো হয়নি। এই শুনে ভয় পেয়ে যায় ময়ূরী। তখন সে মেঘকে বলে, “তুই কি বলতে চাইছিস আমি ইচ্ছে করে আইসক্রিম খাইয়েছি তোকে?” তখন মেঘ জবাব দেয় যে সে এ কথা একবারও বলেনি। কে কি করেছে এটা তার দিদি খুব ভালো করেই জানে।

সামনাসামনি এলো মেঘের নতুন নায়ক

এরপর দেখা যায় কম্পিটিশনে যোগদানকারী সকল ছাত্র-ছাত্রী পৌঁছে গিয়েছে কলেজে। আর ঠিক সেই সময় কলেজে ঢোকে গুরুজী অর্থাৎ তাদের প্রতিযোগিতার বিচারক। তার সাথে গাড়ি থেকে নামেন আর এক ব্যক্তি। মেঘ গুরুজীকে প্রণাম করতে যাওয়ার কথা বললে তাদের আটকানো হয় বলা হয় প্রতিযোগীদের বিচারকের সঙ্গে এমন আগে থেকে দেখা করতে নেই। তখন মেঘ বলে “যদি আমি নিজের নাম তুলে নিই তাহলে পারবো তো প্রণাম করতে?” কথাটা শুনে অভিভূত হয় গুরুজী এবং তার সাথে থাকা সেই ব্যক্তি। এরপর গুরুজিকে প্রণাম করে সবাই সেখান থেকে চলে গেলে মেঘকে তার সাহসিকতার জন্য প্রশংসা করে সেই ব্যক্তি।

মেঘকে নিয়ে দোলাচলে নীল

কম্পিটিশনে শুরু হওয়ার আগেই সেখানে পৌঁছে যায় নীল আর লাল। নীল মেঘের সামনে যেতে দ্বিধাবোধ করলে লাল একাই চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। তখন নীল তাকে আটকায়। নীল লালকে বলে, মেঘ অনেক বদলে গেছে সে অনেক দৃঢ় ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষে পরিণত হয়েছে। একদম শান্ত হয়ে গিয়েছে সে অন্যদিকে নীল নিজে স্থির থাকতে পারছে না। মেঘের এই পরিবর্তন নীলকে আরো উতলা করে তুলছে। এসব শোনার পর লাল তার দাদাকে বলে নীল যেটা করেছে সেটা খুব ভুল কাজ করেছে। আর এখন সেইসবের শাস্তি সে পাচ্ছে। নীল একবার ভাবছে মেঘ চরিত্রহীন আবার অন্যদিকে তার মনে প্রশ্ন ঘুরছে যে আদৌ কি সে এই কাজটা করতে পারে? এই দোলাচল ধীরে ধীরে নীলকে মেঘের থেকে অনেক দূরে করে দিচ্ছে।

Back to top button