স্বামীর ভালবাসা থাকলেও স্ত্রীরা নিজে কিছু না করলে তারা পরাধীন, আজকের পর্বে বুবলুকে দেওয়া রাধিকার পরামর্শ মন ছুঁয়ে যাবে দর্শকদের

স্টার জলসার (Star jalsha) একটি চর্চিত এবং জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল এক্কা দোক্কা (Ekka Dokka)। প্রথমদিকে ধারাবাহিকটি দর্শক মহলে সমালোচিত হলেও পরবর্তীতে ধীরে ধীরে নিজের আকর্ষণীয় প্লট দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক। এই মুহূর্তে ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী বিয়ে করছে রাধিকা এবং অনির্বাণ।

আজকের পর্বে যা ঘটতে চলেছে

রাধিকাকে সাজাচ্ছে তার বোনেরা মিলে। অতীত ভুলে আরো একবার বিয়ের পিড়িতে বসতে চলেছে রাধিকা। কিছুটা চুপচাপ দেখায় তাকে। বুবলু জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে? রাধিকা বলে কিছু না আসলে আরো একবার এর আগে এমন ভাবেই সেজেগুজে বসে ছিলাম তো তাই আজ খুব অদ্ভুত লাগছে। অনির্বাণের হয়তো কিছু মনে হবে না কারণ ওকে এই জিনিসগুলো ফেস করতে হয়নি।

তখন অঙ্কিতা বলে তোদের বিয়েটা খুব অদ্ভুত সিচুয়েশনে হয়েছিল তাই সেসব কথা এখন আর মনে করিস না। নিজেদের মধ্যে হাসি ঠাট্টায় মেতে ছিল তারা কিন্তু হঠাৎ করেই খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উঠে এলো তাদের কথোপকথনের মাধ্যমে। আর এই বিষয়টি কম-বেশি আজকের সমাজের প্রতিটি মেয়েই ভোগ করে।

বোনেদের একে ওপরের ব্যক্তিগত জীবনের সমীকরণ

অঙ্কিতার সঙ্গে তার স্বামীর প্রফেশনাল দিকে বেশ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অঙ্কিতাকে কাজ করতে দেখে সহ্য করতে পারছে না সে। অঙ্কিতার স্বামী চায় না অঙ্কিতা কাজ করুক। অন্যদিকে বুবলুর মতে তার বর অর্থাৎ কহিনুর কোনদিনও বাড়ির বিরুদ্ধে গিয়ে একটাও কথা বলবে না তাই কোনদিনও তার আর কিছু করা হবে না।

কিন্তু অন্যদিকে পোখরাজ ভীষণ ভাবে পাশে থাকার চেষ্টা করে রঞ্জাবতীর। পড়াশুনা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই উৎসাহ যোগায় তাকে। এই কথোপকথন এর মধ্যেই রাধিকা বলে স্বামী যতই ভালোবাসুক না কেন যদি স্ত্রী কোন কাজ না করে বা কাজ করতে না দেওয়া হয় তাহলে তারা সব সময় পরাধীনই হয়ে থাকে।

একটু চোখ মেলের দেখলেই আমাদের সমাজে এমন হাজারো এক উদাহরণ উঠে আসবে যেখানে দেখা যাবে উচ্চশিক্ষিতা হওয়ার পরে শ্বশুরবাড়ির অমর থাকায় স্বামী পাশে না থাকায় নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেনি স্ত্রী। অর্থাৎ সে পরাধীনই থেকে গিয়েছে। একটি মেয়ের নিজে কিছু করাটা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ আজকের দিনে আর সেটা করতে গিয়ে কত লড়াই করতে হয় তারই একটি ছোট্ট নিদর্শন দিয়েছে এক্কা দোক্কা।

Back to top button