উদয়কে সারপ্রাইজ দিতে পরিণীতার সেটে মেয়েকে নিয়ে হাজির অনামিকা! জানেন অভিনেতার পরিবারের খুদে সদস্যকে?

টেলিভিশনের ব্যস্ত শুটিং ফ্লোরে মাঝে মাঝেই ঘটে যায় এমন কিছু মুহূর্ত, যা পর্দার বাইরেও আলাদা করে ছুঁয়ে যায় দর্শকদের মন। ঠিক তেমনই এক সুন্দর মুহূর্তের সাক্ষী থাকল জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা-র সেট। শটের ফাঁকে নায়ক উদয় প্রতাপ সিং যখন নিজের চরিত্রে ডুবে ব্যস্ত, তখনই সেখানে হঠাৎ হাজির হন তাঁর স্ত্রী অনামিকা চক্রবর্তী। তবে একা নন, কোলে করে নিয়ে এসেছিলেন তাঁদের আদরের চারপেয়ে কন্যা বেলাকে। আচমকা এই উপস্থিতিতে সেটের পরিবেশ মুহূর্তেই বদলে যায়।

সেদিনের শুটিংয়ে উদয়কে জোকারের সাজে দেখা যাচ্ছিল। মুখভর্তি মেকআপ, রঙিন পোশাক আর চরিত্রে সম্পূর্ণ ডুবে থাকা এক অভিনেতা। কিন্তু ক্যামেরা বন্ধ হতেই যেন বদলে গেল দৃশ্য। অনামিকার কোলে থাকা বেলাকে দেখেই আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না তিনি। আনন্দে লাফিয়ে উঠে বাবার কোলে চলে আসে বেলা, আর সেই মুহূর্ত যেন এক নিখাদ ভালোবাসার ছবি হয়ে ওঠে। উপস্থিত সকলেই এই দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে যান।

অনামিকার জীবন এখন অনেকটাই আবর্তিত হয় বেলাকে ঘিরে। নিজের সন্তানের মতোই যত্ন আর ভালোবাসায় তাকে বড় করে তুলছেন তিনি। অন্যদিকে উদয় তাঁর অভিনয় জীবনে ব্যস্ত থাকলেও পরিবারকে সময় দিতে ভোলেন না। কাজের চাপের মাঝেও সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখতে অনামিকা মাঝেমধ্যেই বেলাকে নিয়ে সেটে পৌঁছে যান। ফলে কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের সুন্দর ভারসাম্য তৈরি হয়েছে তাঁদের জীবনে।

এই মিষ্টি মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। অনুরাগীরা ভরে দিচ্ছেন ভালোবাসা আর প্রশংসায়। পর্দার নায়ক যখন বাস্তবে নিজের পোষ্যের প্রতি এমন স্নেহ দেখান, তখন সেই দৃশ্য আরও বেশি হৃদয়স্পর্শী হয়ে ওঠে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এই ধরনের ছোট ছোট মুহূর্তই জীবনের আসল আনন্দকে সামনে আনে।

আরও পড়ুনঃ ‘ছেলের স্কুলের মাইনে দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না, পড়াশোনার খরচ চালাতে বাড়ি বন্ধক দিয়েছি’ আজকের সাফল্যের আড়ালে, অতীতের অজানা যন্ত্রণার কথা ভাগ করলেন গায়ক শিলাজিৎ মজুমদার !

কিছুদিন আগে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে বিচ্ছেদের জল্পনা উঠেছিল, যা ভক্তদের উদ্বিগ্ন করেছিল। তবে সেই সব গুজব উড়িয়ে দিয়ে অনামিকা স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি জানেন তাঁদের সম্পর্কের সত্যতা কী। তাঁর কথায়, বাইরের মানুষের মন্তব্যে তিনি বিচলিত নন। বর্তমানে এই দম্পতির জীবনজুড়ে রয়েছে ভালোবাসা, পরিবার আর ছোট্ট বেলা, যে যেন তাঁদের সুখের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

Back to top button