প্রেম নাকি কেবলই বন্ধুত্ব! তাদের নীরবতায় চাপা পড়ে আছে কোন গোপন রহস্য? নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কী বলেছিলেন উত্তম-সুচিত্রা?

উত্তম-সুচিত্রা, স্বর্ণযুগের সিনেমা (Cinema) জগতের উজ্জলতম নক্ষত্র এই দুই তারকা, যাঁরা আজও বাঙালির বুকে চিরন্তন। আজও প্রায় বাংলায় প্রতিটা নারী মহানায়কের এক ঝলকের প্রেমে পড়ে যায়। অন্যদিকে আবার তেমনই মহানায়িকার ঠোঁটের কোণে হাসি গলিয়ে দেয় কত শত পুরুষের হৃদয়।

পর্দায় সেরা সেরা জুটি হিসেবে রয়ে গেছে উত্তম-সুচিত্রা। নিঃসন্দেহে বলা যায়, এখনও পর্যন্ত এই জুটির রোমান্টিকতাকে হারাতে পারেনি বাংলার কোনো জুটি। কিন্তু, এই জুটির সাবলীল প্রেম কি কেবলই অভিনয়? নাকি, পর্দার পিছনে ছিল অন্য গল্প?

Bengali cinema entertainment

স্বর্ণযুগের প্রায় কয়েক দশক ধরে এই জুটি তাঁদের অভিনয় দক্ষতায় মনোরঞ্জন করেছেন দর্শকদের। কিন্তু, বড়ো পর্দার এই শক্তিশালী জুটিকে সমালোচনা থাকবে না তা কি কখনো হতে পারে! প্রসঙ্গত, সেই সময় একাধিকবার প্রশ্ন উঠেছে উত্তম-সুচিত্রার কি কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল? উত্তরে দুই তারকা বারংবার স্পষ্টভাবে না জানিয়েছিলেন।

 বহু বছর আগে এই বিষয়ে অভিনেত্রী সংবাদ মাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “আমার উত্তমের সঙ্গে খুব ভাল সম্পর্ক ছিল। আমরা খুবই ভাল বন্ধু ছিলাম। কেবল ভাল বললে কম বলা হবে। আমরা গভীরভাবে লিপ্ত ছিলাম বন্ধুত্বে”।

আরও পড়ুনঃ কুমহাম্ভে এসে ভয়ংকর বিপদের মুখে রুকু! গোপালকে কষ্ট দেওয়ার ফল হাতে নাতে পেল রুক্মিণী! ফাঁস ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!

ব্যক্তিগত জীবনে অভিনেত্রী কলকাতার এক বন্দী পরিবারে বিয়ে হয়। সেই সময়ে তাঁর নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত। বিবাহিত জীবনের প্রথম সন্তান জন্মের পরেই মারা যাওয়ায় কার্যত তাঁর স্বামী জোর করেই তাঁকে সিনেমা জগতে নিয়ে আসেন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে এই অভিনেত্রী বছরের পর বছর অভিনয় করে চলে এবং পরবর্তীকালে অভিনয় তাঁর ধ্যান-জ্ঞান হয়ে ওঠে।

এমনকি, খ্যাতির শিখরে পৌঁছে যাওয়ায় তিনি স্বামীকেও পরিত্যাগ করেন। তারপর, আর বিয়ে করেননি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত একাই পথ চলেছেন। সাংসারিক জীবনে সুখী হতে না পারলেও মহানায়কের মত বন্ধু ছিল তার পাশে সর্বদাই। শোনা যায়, সুচিত্রা কন্যা মুনমুনের বিয়ের দাদারা তীর দায়িত্বে ছিলেন স্বয়ং উত্তম কুমার।

Back to top button