‘আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম এই ভেবে যে ও যেন অতিরিক্ত…’ ‘৫০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে, মিঠুন আজও নিজের…’ কেন নিজের জন্মদিন পালন করেন না মিঠুন চক্রবর্তী? জানালেন অভিনেত্রী মমতা শংকর!

ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ৭৬ বছরে পা দিলেন। জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনুরাগীরা। সেই তালিকায় রয়েছেন দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু অভিনেত্রী মমতাশঙ্করও। এক সাক্ষাৎকারে তিনি মিঠুনকে নিয়ে এমন কিছু ব্যক্তিগত স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন, যা অভিনেতার অন্য এক পরিচয় তুলে ধরে।
প্রায় পাঁচ দশক আগে মৃণাল সেনের ‘মৃগয়া’ ছবির সময় তাঁদের প্রথম পরিচয়। সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত বন্ধুত্বের সম্পর্কে কোনও বদল আসেনি বলেই জানান মমতাশঙ্কর। তাঁর কথায়, এত বড় তারকা হওয়ার পরও মিঠুনের স্বভাব একই রয়ে গেছে। এখনও তিনি বন্ধুদের সঙ্গে মজা করেন, খুনসুটি করেন এবং নিজের জনপ্রিয়তাকে কখনও আলাদা করে গুরুত্ব দেন না। জন্মদিনও তিনি সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই শান্তভাবে কাটাতে পছন্দ করেন।
মমতাশঙ্করের মতে, জীবনের শুরু থেকেই মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা ছিল মিঠুনের। পরে সাফল্য পাওয়ার পরও সেই মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। বিপদে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে পশুপাখির প্রতি ভালোবাসা, সব ক্ষেত্রেই তিনি সমানভাবে সংবেদনশীল। রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশের পর প্রচারের সময় তাঁর অতিরিক্ত পরিশ্রম দেখে উদ্বিগ্নও হয়ে পড়েছিলেন অভিনেত্রী।
দীর্ঘ বিরতির পর ‘প্রজাপতি’ ছবিতে আবার একসঙ্গে কাজ করেন মিঠুন ও মমতাশঙ্কর। অভিনেত্রীর কথায়, এত বছর পরও সেটে তাঁদের সম্পর্কের উষ্ণতা একটুও কমেনি। শুটিংয়ের ফাঁকে আগের মতোই হাসি-মজা চলেছে। শুধু তাঁর সঙ্গেই নয়, মমতাশঙ্করের পরিবারের প্রতিও মিঠুনের আন্তরিকতা বরাবরই ছিল। অভিনেত্রীর স্বামী এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খবরও নিয়মিত রাখতেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ বিরাট দুঃসংবাদ! গুরুতর আহত গায়ক সনু নিগম! গলার পাশে ব্যান্ডেজ! কি হয়েছে গায়কের? দুশ্চিন্তায় অনুরাগীরা
সম্প্রতি মিঠুন-কন্যার বাগদানের খবরেও খুশি প্রকাশ করেছেন মমতাশঙ্কর। তিনি জানান, তারকা পরিবার হওয়া সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও পারিবারিক। জন্মদিনে প্রিয় বন্ধুর জন্য শুভেচ্ছা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, তিনি চান মিঠুন চক্রবর্তী সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন এবং আগের মতোই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে যান। তাঁর বিশ্বাস, জীবনে করা ভালো কাজের প্রতিফল একদিন না একদিন অবশ্যই ফিরে আসে।

