এবার ‘বুকের আঁচল’ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী দেবযানী চট্টোপাধ্যায়, মমতা শঙ্করের উদ্দেশ্যে কী বললেন অভিনেত্রী?

শাড়ী নিয়ে আবার বিতর্ক এবার শারী এবং শাড়ী পড়ার ধরণ নিয়ে সাম্প্রতিক তার নিজস্ব প্রদর্শনী তে মুখ খুললেন দেবযানী চট্টোপাধ্যায় (Debjani Chatterjee)। দেবযানী চট্টোপাধ্যায় পেশাগত ভাবে একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং নৃত্য শিল্পী। তার জনপ্রিয় সিরিয়াল যমুনা ঢাকী, বরণ, জড়োয়ার ঝুমকো, ত্রিনয়নী, রাখি বন্ধন, কিরণমালা, খোকাবাবু, অপরাজিত, গানের ওপারে, রাশি। তাকে বিভিন্ন সিনেমাতেও কাজ করতে দেখা গেছে যেমন পাগলপ্রেমী, দুজনে, লে ছক্কা , সামডে সামহয়্যার… যেতে পারি চলে ,দুর্গা সহায়, গুল দস্তা, দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন।

দেবযানী চ্যাটার্জী অভিনয় এবং নৃত্যের সঙ্গে সঙ্গে এখন তিনি ডিজাইনার ও বটে বিভিন্ন জায়গায় তিনি এখন প্রদর্শনী করেন এবং সেই প্রদর্শনী তে তিনি শাড়ী ঘর সাজানোর সামগ্রী সব কিছু কেই জায়গা দেন। তিনি নিজে শাড়ী পড়তে পছন্দ করেন ও লোকজন কে তিনি উৎসাহ দেন বাঙালি হয় শাড়ী পড়ার জন্য। দেবযানী চ্যাটার্জী সাম্প্রতিক তার প্রদর্শনী তে বলেন _”শাড়ী থেকে স্মার্ট ড্রেস আর কিছু হতে পারে না যারা শাড়ী ক্যারি করতে পারে না তারা কিছুই ক্যারি করতে পারে না” তিনি আরও বলেন তিনি শাড়ী পড়তেই বেশি পছন্দ করেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি শাড়ী পড়তে পছন্দ করেন। বাঙালি উৎসব মানেই শাড়ী সেটা দুর্গা পুজো হোক বা পয়লা বৈশাখ।

পয়লা বৈশাখ এর ড্রেস নিয়ে তিনি নিজে এক শাড়ী ডিজাইন করেছেন যা লাল সাদা উপর কারণ দেবযানী চ্যাটার্জী মতে বহু মানুষ পুজো তে লাল সাদা শাড়ী কেই পছন্দ করেন। তিনি এটা শুনতে পছন্দ করেন যে তার তৈরি করা ডিজাইন লোক এর পছন্দ হচ্ছে। দেবযানী চ্যাটার্জী জানায় তিনি শাড়ী ডিজাইন শুরু করেন নিজস্ব সাধ এর ফলে কিন্তু এটা যে কোনও দিনও বিসনেসে পরিনত হবে সেই ধারণা তাঁর ছিল না। তিনি নিজে যেহেতু শাড়ী পড়তে ভালোবাসেন এবং এবিষয়ে যেহেতু কাজ করতে চাইছেন তাই পড়াশোনা কিন্তু শাড়ী নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে ভবিষ্যতে আরো ভালো কাজ করতে পারেন।

আরও পড়ুন- “আমি কিন্তু শয়তানি করে বেশ মজা পাচ্ছি” _ কেন এরম মন্তব্য অভিনেত্রী মেঘা দাঁ এর?

সাম্প্রতিক কালে শাড়ী পড়ার ধরণ নিয়ে অভিনেত্রী মমতা শঙ্কর আজকের প্রজন্মের মেয়েদের অকারণ শরীর দেখানোর প্রবণতাকে তুলোধনা করে আনন্দবাজার অনলাইনকে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘আমি শাড়ি পরব কিন্তু আঁচলটা জায়গামতো থাকবে না, এটা ভাবনাটা বুঝতে পারি না। ক্ষমা করবেন, এটা বলছি বলে- যাদের আমরা রাস্তার মেয়ে বলতাম, যাঁরা ল্যাম্পপোস্টের নীচে দাঁড়িয়ে থাকে এমন মেয়ে বলতাম, তাঁরা এইরকমভাবে দাঁড়াত। কিংবা গ্রামে কাজ করতে গিয়ে আঁচল সরে গেল সেটা দোষের ছিল না। এঁরা মানুষকে অ্য়াট্রাক্ট করার জন্য দাঁড়িয়ে থাকেন, এটা তাঁদের পেশা, আমি তাঁদেরও শ্রদ্ধা করছি।’

এর পর মমতা শঙ্কর কে পড়তে হয় বিভিন্ন বিতর্ক এর মুখে মমতা শঙ্করের কথাকে ব্যঙ্গ ল্যাম্প পোস্টের নিচে শাড়ি পরে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারীর স্কেচ শেয়ার করেন স্বস্তিকা। উন্মুক্ত তাঁর বক্ষবিভাজিকা। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় লেখেন, ‘আমিও এরকম একটা ছবি তুলব, ল্যাম্পপোস্টের নিচে দাঁড়ানো খারাপ মেয়েগুলোকে উৎসর্গ করে। শাড়ির আঁচলেই কিনা সব সম্মান লুকিয়ে আছে যদি ওরাও জানত। আমার বন্ধু ফটোগ্রাফাররা একটু হাত খালি হলে জানিও।’

এইবার শাড়ী পড়া নিয়ে বললেন দেবযানী চ্যাটার্জী তিনি বলেন শাড়ী পড়া প্রত্যেক এরই নিজস্ব ইচ্ছা তিনি বলার কেউ নন তিনি শুধুমাত্র স্বাভাবিক ভেবেই শাড়ী পড়তে পছন্দ করেন ও ভালোবাসেন তাই তিনি কারোর মত কে না করেন না। শাড়ী এমনই একটি ড্রেস যা বিভিন্ন ভাবেই পড়া যায়। তিনি মানুষ কে উৎসাহ দেন শাড়ী পড়ার জন্য।

Back to top button