Rakhi-Gulzar: একরাতেই বদলে গিয়েছিল রাখি-গুলজারের সম্পর্ক, সেই রাতে গুলজার ছিলেন সুচিত্রা সেনের সঙ্গে, রাখী প্রতিবাদ করতেই মেরে ছিলেন থাপ্পড়! আসল সত্যিটা কী?

গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড কে আমরা বাইরে থেকে যতটা রঙিন বা চকচকে মনে করি ভেতর থেকে কিন্তু ততটাই ঝাঁ চকচকে নয় সেটা। এর স্তরে স্তরে বিভিন্ন অন্ধকার অধ্যায় যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে নানার রহস্য দিয়ে মোড়া গল্প। তেমনই এক গল্প আজ আমরা আপনাদের জানাবো।
এক সময় শুধু টলিউড নয় বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকেও কাঁপিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাখি। ১৯৬৭ সালে বাংলা সিনেমা বধূবরণ- এর মধ্যে দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন রাখি। এরপর ১৯৭০ সালে বলিউডে জীবন মৃত্যু সিনেমার মধ্যে দিয়ে অভিষেক করেন তিনি।

প্রথম জীবনে এই বাঙালি অভিনেত্রী রাখি মজুমদার বিয়ে করেছিলেন সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক অজয় বিশ্বাসকে। তবে সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। সিনেমার কেরিয়ারের শুরুতে তিনি শুধু নিজের পদবী বাদ দিয়ে রাখি নামটাই রাখলেন। পরবর্তীকালে গীতিকার তথা সুরকার সম্পূরণ সিং কালরা অর্থাৎ গুলজারকে বিয়ে করেন নায়িকা এবং সেই পদবী গুলজার গ্রহণ করে রাখি গুলজার হয়ে ওঠেন।

এই দুজনের সম্পর্কের সমীকরণ পাল্টে যায় আঁধি সিনেমার পর থেকে। কাশ্মীরে এই সিনেমার শুটিংয়ে রাখি নিজের স্বামী ও কন্যা সন্তান মেঘনার সঙ্গে নিজেও যান। সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন এবং অভিনেতা সঞ্জয় কুমার। শোনা যায় কাশ্মীরে শুটিং এর সময় একদিন উত্তাল পার্টি করছিলেন সুচিত্রা এবং সঞ্জয়।
সঞ্জয় কুমার মদ্যপ হয়ে গিয়েছিলেন এবং হঠাৎ করেই সুচিত্রা সেনকে নিজের ঘরে আটকে দেন। গুলজার সেটা দেখতে পেয়ে কোনক্রমে সেটা আটকে সুচিত্রাকে নিজের ঘরে নিয়ে আসেন। কিছুটা সময় পর গুলজার সেই ঘর থেকে বেরোতেই চোখে পড়ে যান স্ত্রী রাখির। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রচন্ড কথা কাটাকাটি হয় এবং গুলজার স্ত্রীয়ের উপর হাত তুলতেও দ্বিধাবোধ করেননি।
সেই রাতের পর রাখি এবং গুলজারের সম্পর্ক পাল্টে যায়। ওই ঘটনার পর থেকে রাখি একা থাকার সিদ্ধান্ত নেন। মেয়েকে নিয়ে চলে আসেন তিনি। যদিও আজ পর্যন্ত দুজন একে অপরকে ডিভোর্স দেননি শুধুমাত্র মেয়ে মেঘনার জন্য। বর্তমানে রাখি এবং গুলজার আলাদা থাকলেও মাঝে মাঝে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে দুজনকে দেখা যায়।

