হেমার সঙ্গে ধর্মেন্দ্রের মায়ের গোপন সাক্ষাৎ! হেমাকে জড়িয়ে ধরে কী বলেছিলেন তিনি? ছেলের একটা সংসার ভেঙে কেন নতুন সংসার গড়তে চেয়েছিলেন তিনি?

ধর্মেন্দ্রকে পর্দায় যতই রোম্যান্টিক নায়কের চরিত্রে দেখা যাক, বাস্তব জীবনেও তাঁর প্রেমকাহিনি ছিল কম নাটকীয় নয়। হেমা মালিনীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুরু থেকেই বিতর্ক, আবেগ এবং দ্বন্দ্বে ভরা। প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরকে ত্যাগ না করলেও হেমার প্রতি অনুভূতি লুকোনো যায়নি অভিনেতার। নিজের ধর্ম পরিবর্তন করে তাঁকে বিয়ে করেছিলেন ধর্মেন্দ্র। কিন্তু দুই সম্পর্ক সামলাতে গিয়ে অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবনে তৈরি হয়েছিল এক বিশেষ টানাপড়েন। তবে এই সমস্ত জটিলতার মাঝেও ঘটেছিল এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনা।

একদিন নীরবে, কারও অগোচরে হেমা মালিনীর সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছে গিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্রের মা সতবন্ত কৌর। হেমা জানান, একটি স্টুডিওতে প্রথম দেখা হওয়া মাত্রই তাঁকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন সতবন্ত। কোনও অভিযোগ নয়, বরং আশীর্বাদের সুরে বলেছিলেন, “সারা জীবন খুশি থেকো।” সেই মুহূর্তটিই আজও হেমার স্মৃতিতে অমলিন। তিনি জানান, শুধু অভিনেতার মা নন, ধর্মেন্দ্রের বাবা এবং পরিবারও তাঁকে খুব স্নেহ করতেন।

হেমা আরও বলেন, ধর্মেন্দ্রের বাবা তাঁর পরিবারকেও খুব পছন্দ করতেন। হেমার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। দেখা হলেই তাঁরা হাসি-ঠাট্টায় মেতে উঠতেন। বিশেষ করে মজা করে বলতেন, “তোমরা তো ইডলি-সাম্বার খেয়ে শক্তি পাবে না। ঘি-মাখন খেতে হবে শক্তিশালী হতে হলে।” এই রসবোধই হেমার মনে গভীর জায়গা করে নিয়েছিল।

তবে প্রকাশ কৌরের সঙ্গে হেমার কখনও মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়নি। একই শহরে থেকেও তাঁরা একে অপরকে এড়িয়ে চলতেন। হেমার পাঞ্জাবের বাড়িতে প্রবেশের অনুমতিও ছিল না। কেবল একবার, ঈশা দেওল বড় হওয়ার পর, ধর্মেন্দ্রের মা মৃত্যুশয্যায় থাকাকালে তিনি সেখানে প্রবেশ করেছিলেন। সময় যতই বদলাক, এই দূরত্ব কখনও কমেনি।

আরও পড়ুনঃ যেমন কুকুর তার তেমন মুগুর! দ্বিতীয় বিয়ে করতেই রূপ খুলল কমলিনীর! অকৃতজ্ঞ বেইমান শাশুড়িকে মজা দেখাতে কড়া শর্তে বেঁধে দিল সে!

তবুও কোনও ক্ষোভ বা হিংসা নয়, হেমা বলেন, তাঁর মনে কখনও ঈর্ষা কাজ করেনি। তাঁর কথায়, “আমার মধ্যে হিংসে নেই বলেই আমি পৃথিবীর অন্যতম সুখী মানুষ।” জীবনের জটিল সমীকরণের মাঝেও হেমা আজও এই সম্পর্ককে ভালোবাসার চোখেই দেখেন।

Back to top button