ধর্মেন্দ্রর মু’খাগ্নির সময় কী ঘটেছিল শ্ম’শানে? অভিনেতার শেষকৃত্যে কিসের এত গোপনীয়তা? কি লোকাচ্ছেন দেওল পরিবার?

সোমবার দুপুর গড়াতেই গোটা দেশ স্তব্ধ হয়ে পড়ে। ভিলে পার্লে শ্মশানে যখন সাদা পোশাক পরা দেওল পরিবারের উপস্থিতি দেখা গেল, তখন থেকেই আশঙ্কা বাড়তে থাকে। একটি অ্যাম্বুল্যান্স, কয়েকটি গাড়ি এবং ক্রমশ বাড়তে থাকা ভিড়—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যেন ইঙ্গিত দিচ্ছিল ভয়ঙ্কর খবরের। কিছু সময় পরেই তা সত্যি বলে প্রমাণিত হয়। কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানুষদের চোখের সামনে সবটাই ঘটলেও, পরিবারের কেউ তখনো কিছু বলছিলেন না।

শ্মশান ঘাটের বাইরে তখন একে একে পৌঁছে যাচ্ছেন বলিউড তারকারা। অভিষেক বচ্চন, সলমন খান, অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমার, আমির খান, শাহরুখ খানসহ বহু তারকা ধর্মেন্দ্রকে শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে আসেন। বাইরে ভিড় বাড়ছিল ঠিকই, কিন্তু ভিতরে কী ঘটছে তা জানার আগ্রহ ছিল আরও বেশি। শেষে এক প্রত্যক্ষদর্শী, যিনি নিজ পরিবারের শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন, এক স্বনামধন্য সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিককে অন্দরের পরিস্থিতি জানান।

তাঁর বয়ান অনুযায়ী, মুখাগ্নি করেছেন সানি দেওল এবং ববি দেওল। দুই ভাই বাবার চিতার পাশে দীর্ঘ সময় বসে ছিলেন। ধর্মেন্দ্র যখন শেষ যাত্রায় পঞ্চভূতে বিলীন হচ্ছিলেন, পরিবারের সদস্যরা তখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েন। খানিক দূরে বসেছিলেন হেমা মালিনী তাঁর দুই কন্যাকে নিয়ে। একইভাবে নীরবে উপস্থিত ছিলেন সলমন খান, শাহরুখ খান, গৌরী খান, গোবিন্দা সহ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ তারকা। পরিবেশ ছিল থমথমে এবং নিরাপত্তা ছিল অত্যন্ত কঠোর, এমনকি কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুনঃ শেষ হচ্ছে ‘অনুরাগের ছোঁয়া’! নতুন পথে হাঁটার ইঙ্গিতে দিলেন রাহুল! অভিনয় ছেড়ে এবার নতুন পেশায় অভিনেতা?

এই সময়েই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে উঠতে থাকে নানা প্রশ্ন। এত বড় এক তারকার শেষযাত্রা এত সীমিত পরিসরে হওয়া উচিত ছিল কি না, অনেকে জানতে চান। ভক্তদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ দেওয়া যেত কি না সেই নিয়েও মতভেদ দেখা যায়। যদিও পরিবারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, তবুও সমালোচনা কমেনি। তবুও দিনের শেষে একটাই সত্যি—পুরো দেশ ধর্মেন্দ্রকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ।

Back to top button