বিরাট দুঃসংবাদ! ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় সব শেষ! না ফেরার দেশে ১৮ বছরের তরুণ অভিনেত্রী! শোকের ছায়া চলচ্চিত্র জগতে!

মঙ্গলবার গভীর রাতে আমেরিকার মেরিল্যান্ডের ফ্রিল্যান্ড এলাকার উইন্ডসর রোডে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত প্রায় ২টা ৫২ মিনিটে একটি দ্রুতগতির গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি কালভার্টে সজোরে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে থাকা এক তরুণী গুরুতর জখম হন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অতিরিক্ত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মেরিল্যান্ডের ফ্রেডেরিক কাউন্টির শেরিফ অফিস গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এই মৃত্যুর খবর প্রথম প্রকাশ করেন ওই তরুণীর বাবা যোশুয়া হটল। তিনি একটি ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে বিষয়টি জানান। পরে টেক্সাস স্কুল ফর দ্য ডেফ কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। জন্ম থেকেই শ্রবণপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রমে তিনি অভিনয় জগতে আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন।
অভিনয় জীবনের শুরু হয়েছিল ছোটবেলায় বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। একটি বিজ্ঞাপনে তাঁর অভিনয় দেখে কাস্টিং ডিরেক্টর সারা হ্যালে ফিনের নজরে আসেন তিনি। এরপর ‘গডজিলা’ সিরিজের ছবিতে ‘জিয়া’ চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান। সেখানে ইশারার ভাষায় কিংকংয়ের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং আবেগঘন সম্পর্ক দর্শকদের মন জয় করেছিল। এছাড়া ‘ম্যাগনাম পিআই’ সিরিজেও তিনি একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ ‘নিজের মাতৃভাষা বলতে পারেনা, ছিঃ!’ ‘ইংরেজি বললে গর্ব, বাংলা বলতেই লজ্জা?’ ‘এদের জন্যই বাংলা বারবার ভাগ হয়েছে…’ ভাষার প্রতি অবমাননা! গর্জে উঠলেন সুদীপ মুখোপাধ্যায়!
২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, পরিচালক প্রতিটি দৃশ্য বিস্তারিত বুঝিয়ে দিতেন এবং তাঁর বাবা-মা স্ক্রিপ্ট বুঝতে সাহায্য করতেন। ২০০৭ সালে জন্ম নেওয়া কাইলি হটল ছিলেন জনপ্রিয় হলিউড অভিনেত্রী। ২০২১ সালের গডজিলা ভার্সেস কং এবং ২০২৪ সালের গডজিলা এক্স কং: দ্য নিউ এম্পায়ার ছবিতে ‘জিয়া’ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি বিশ্বজুড়ে দর্শকদের ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন।

