স্ত্রী ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন! ন’রক হয়ে উঠেছিল ব্যক্তিগত জীবন! মুক্তি পেতে কি করেছিলেন অভিনেতা কৌশিক ব্যানার্জি?
বিনোদন জগতের যেকোনো পর্দাতেই নায়ক-নায়িকার ভূমিকাই থাকে সর্বপ্রথম, তারপরে গুরুত্ব পায় পার্শ্বচরিত্র কিংবা খল চরিত্রেরা। কিন্তু, সিনেমা (cinema) হোক বা সিরিয়াল খল চরিত্রদের ছল-চাতুরিতেই গল্প আরও মজে ওঠে। এমনই এক হল নায়ক যিনি কিনা যেনো পর্দাতেই তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে থাকেন। অভিনেতার নাম কৌশিক ব্যানার্জী (Koushik Banerjee)।
টলি জগতের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অভিনেতা হলেন কৌশিক। সময়ের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে বর্তমানে অভিনেতাকে দেখা যায় ছোট পর্দাতেও। টলিউডের এই নামকরা অভিনেতার জীবন বাইরে থেকে গ্ল্যামারাস লাগলেও বাস্তব জীবনে অনেক ধরনের কঠিন পরিস্থিতির শিকার হতে হয় তাঁকে। বিশেষত বিবাহিত জীবনে আসে নানা ধরনের টানাপোড়েন।
৯০ এর দশকের এই অভিনেতা একের পর একই এক ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে বাজিমাত করেছেন। ১৯৮০ সালের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয় জগতে আত্মপ্রকাশ করেন কৌশিক। অভিনেতার বাবা ছিলেন বাংলার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম পরিচিত মুখ। কৌশিকের বাবা ছিলেন অভিনেতা হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর থেকেই একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করতে দেখতে পাওয়া গেছে তাঁকে।
আরও পড়ুনঃ শুভশ্রীর হাত থেকেও ফসকে যাচ্ছিল রাজ! আ’ত্মহত্যার ভয় দেখিয়ে রাজকে বিয়ে করেছেন শুভশ্রী?
কৌশিকবাবুর অভিনীত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমার নাম হল ‘দাদার কীর্তি’, ‘কালপুরুষ’, ‘লাঠি’, ‘সমাধান’, ‘সুন্দর বউ’, ‘আপন পর’, ‘মহাকাল’, ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবং আরো অনেক। অভিনয় জগতের আমি জীবন থেকেই হয়ে উঠেছিলেন বিখ্যাত খলনায়ক। ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করলেও ইতিবাচক চরিত্রেও অভিনয় করতে দেখা গেছে হারাধন পুত্রকে।
ব্যক্তিগত জীবনে এই অভিনেতা ১৯৮৪ সালে প্রথমবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন গায়ক শ্যামল মিত্রের কন্যা মনোবীণা মিত্রের সঙ্গে। তাঁদের আবার একটি পুত্রও রয়েছে, নাম সুস্নাতু। কিন্তু, দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সংসার করার পর বিভিন্ন সাংসারিক ঝামেলার কারণে সম্পর্কে ইতি টানেন কৌশিক। শোনা যায় একসময় অভিনেতার প্রাক্তন স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন এবং মেন্টাল এসাইলামেও রাখা হয় তাঁকে। পরবর্তীকালে, কৌশিক ব্যানার্জি ভালোবেসে বিবাহ করেন অভিনেত্রী লাবনী সরকারকে। তারপর থেকেই স্ত্রী এবং পুত্র সুস্নাতকে নিয়ে সুখে সংসার করছেন অভিনেতা।

