পরাগকে গ্রেফতার করতে বাড়িতে হাজির হলো পুলিশ! ভয়ে গুটিয়ে গেল সে, আসছে দমদার পর্ব

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে যে সমস্ত ধারাবাহিক গুলি সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। ধারাবাহিকটি দর্শকদের মাঝে এতটাই জনপ্রিয় হয়েছে যে এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে উঠে এসেছে এই ধারাবাহিকের নাম। ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে।
অত্যাচারিত হওয়ার পর মধুবালাকে নিজের অবস্থা সম্পর্কে সমস্ত কিছু জানায় শিমুল। মধুবালা বুঝতে পারেন শিমুলকে তার ছেলের ঘরে পাঠিয়ে শিমুলের অনেক বড় সর্বনাশ করে দিয়েছেন তিনি। শিমুলের অবস্থা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যায় সবাই। এরপর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় শিমুল।
এমনটা যদি চলতে থাকে তাহলে সাহস আরো বেড়ে যাবে পরাগের। ধীরে ধীরে রাক্ষসে পরিণত হবে সে তাই এবার নিজের হাতেই শাস্তি দেওয়ার দায়ভার তুলে নেয় শিমুল। সে ঠিক করে এবার এমন কিছু করবে যাতে এই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি না হয়। এর মাঝে পলাশ পরাগকে বলে সে কেন পায়ে বাড়ি মেরে বিছানায় ফেলে রাখতে পারল না শিমুলকে?
তখন পরাগ বলে সে শিমুলের সাথে থাকতেই চায়না। তখন মধুবালা চিৎকার করে ওঠেন। তিনি বলেন, “এই তুমি শিক্ষক এই তুমি বাচ্চাদের পড়াও? জানোয়ার একটা।” পুলিশের দ্বারস্থ হয় শিমুল। পুলিশ স্টেশনে শিমুল বলে, “আমি আপনার পাড়ার বউ। আমার স্বামীর নাম পরাগ। তিনি একজন স্কুল শিক্ষক। প্রতি রাতে আমি অত্যাচারের শিকার হই। আমাকে আমার স্বামী অসভ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, গায়ে হাত তোলেন। আমি প্রতি রাতে আর এই অত্যাচার সহ্য করতে পারছি না, আমি ম্যারিটোরিয়াল রে’পে’র শিকার।”
ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, শিমুলের অভিযোগের ভিত্তিতে সরাসরি বাড়িতে ঢুকে পড়েছে পুলিশ। সবার সামনে শিমুল বলে যদি পরাগের শাস্তি না হয় তাহলে সে অন্য রাস্তা অবলম্বন করবে। তখন বিপাশা বলে শিমুলকে সে ডিএম এর কাছে নিয়ে যাবে। সেখানে গিয়ে বিচার চাইবে। এই শুনে ভয় পেয়ে যায় পরাগ।

