সৌমিতৃষার কাগজে ছাপা ছবিতেই আশীর্বাদী ফুল সাথে ঠাকুরের টিপ ভক্তের! ঘটনা দেখে অভিনেত্রীর উত্তরে মন ভরবে আপনার

এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশন (Bengali television) জগতে একের পর এক নতুন ধারাবাহিক আসে আর এক দু মাসের মাথায় শেষ হয়ে যায়। যার ফলে সেই ধারাবাহিকের অভিনেতাদের প্রতি দর্শকদের তেমন একটা টান কাজ করে না। আর যে ধারাবাহিকগুলি বছরের পর বছর দর্শকদের আনন্দ দিয়ে চলেছে সেই ধারাবাহিকের চরিত্রগুলি হয়ে ওঠে তাদের ঘরের মানুষ।
বিগত তিনবছর ধরে যে ধারাবাহিকটি দর্শকদের ড্রয়িং রুম মাতিয়ে রেখেছিল সেটি নিঃসন্দেহে ‘মিঠাই’। এই সিরিয়ালের নাম ভূমিকায় ছিলেন সৌমিতৃষা কুণ্ডু (Soumitrisha Kundoo)। একটানা এতগুলো দিন এতগুলো মাস ধরে দর্শকদের মন জয় করে এসেছে এই ধারাবাহিক ফলে তার অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও দর্শকদের অত্যন্ত কাছের হয়ে উঠেছেন এবং তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মিঠাই অর্থাৎ সৌমিতৃষা কুন্ডু।
বাঙালি দর্শকদের কাছে একেবারে ঘরের মেয়ে উঠেছিলেন মিঠাই তথা সৌমিতৃষা। বর্তমানে শেষ হয়েছে এই ধারাবাহিক তবে মিঠাই শেষ হলেও তার জনপ্রিয়তা এখনও যে একটুও কমেনি তা বলাই বাহুল্য। মিঠাই শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সৌমিতৃষা দেবের সিনেমায় নায়িকা হওয়ার সুযোগও পেয়ে গিয়েছিলেন। এত অল্প বয়সে সৌমিতৃষার সাফল্য সত্যি খুবই প্রশংসনীয়। কিছু দিন আগেই এই নতুন যাত্রায় প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছেন সৌমি।
মিঠাই বর্তমানে হয়ে উঠেছে বহু ভক্তদের বোন, দিদি বা মেয়ে। ঘরের মেয়ে নতুন কাজ শুরু করলে মায়েরা তাদের আশীর্বাদ করে, ঠাকুরের কাছে পুজো করে তার জন্য মঙ্গল কামনা করে। সৌমিতৃষার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হলো না। দর্শকরা যে অভিনেত্রীকে কতটা পরিমাণে ভালোবাসেন তারই প্রমাণ মিলল এই ঘটনায়।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিনেত্রীর জন্য পুজো দিয়ে তার জন্য আনা ঠাকুরের ফুল এবং সিঁদুরের ফোটা খবরের কাগজের পাতায় তার ছবিতেই অর্পণ করেন। আর ক্যাপশনে সৌমিতৃষাকে অনেক শুভকামনা জানান। ঠাকুরের সেই সিঁদুরের টিপটা খবরের কাগজে ছাপা ছবিতেই পরিয়ে দেন সেই ব্যক্তি। এতটা ভালোবাসা পেয়ে কি কেউ চুপ থাকতে পারে। এর প্রত্যুত্তরে অভিনেত্রী লেখেন, “টিপটা আমার কপালে চলে এসেছে তোমার ভালোবাসায়।” তারকা এবং তার ভক্তের মধ্যেকার এই নির্ভেজাল ভালোবাসা দেখলে সত্যি মুগ্ধ হতেই হয়।

