কিছুতেই নাচ ছাড়বে না শিমুল, কুটনি শাশুড়ি আর স্বামী বিরুদ্ধে গর্জে উঠলো! জানুন আগাম পর্ব

আবার প্রতিবাদী শিমুল! নিজের ভালোবাসাকে কিছুতেই হারিয়ে যেতে দেবে না, পরাগ বাধা দিলেও নাচ চালিয়ে যাবে জানিয়ে দিল সে।

বর্তমানে জি বাংলায় (Zee Bangla) সদ্য শুরু হয়েছে একটি নারী কেন্দ্রিক ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকটির নাম কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kache Koi moner kotha)। বিয়ের পরবর্তী পর্যায়ে একটি মেয়ের জীবনে আসা ঝড়-ঝাপটাকে নাটকের মধ্যে দিয়ে তুলে ধরেছে এই ধারাবাহিক। সম্প্রচার শুরু হওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকটি এতটাই বাস্তব নির্ভর যে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই দর্শকদের আকর্ষিত করেছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের শুরুতেই দেখানো হয়েছে নায়িকার বিয়ে। আর বিয়ের পর থেকেই তার ওপর শুরু হয়েছে অমানবিক মানসিক অত্যাচার। শিমুল অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকা প্রতিবাদী হওয়ায় এখনো অব্দি তার সামনে আসা ঝড় ঝঞ্ঝাট গুলিকে সামলে উঠতে পারছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় নাজেহাল হয়ে পড়ছে শিমুল। সম্প্রতি প্রতিবেশীর বাড়িতে নেমন্তন্ন রক্ষা করতে গিয়ে নাকখত অব্দি দিতে হয়েছে তাকে।

একজোট হয়ে শিমুলের পাশে এসে দাঁড়ালো প্রতিবেশীরা

এই দিনের পর্বে দেখা যায় আগের দিনের ঘটনা সম্পর্কে জানার পর আর বাড়িতে বসে থাকতে পারিনি শিমুলের প্রতিবেশী বন্ধুরা। শিমুলের হয়ে দু-চার কথা শোনাতে তার শ্বশুরবাড়িতে উপস্থিত হয়েছে বিপাশা সুচরিতারা। এসেই তারা শিমুলের শাশুড়িকে বলে, শিমুল এমন কিছুই করেনি যার জন্য তাকে এত অপমান করা হলো। “তোমরা তো জানতে শিমুল আমার বাড়িতে আছে তাহলে তালা বন্ধ দেখে আমাদের বাড়িতে এসে চাবিটা নিয়ে যেতে পারতে।” সবশেষে শিমুলকে পাড়ার অনুষ্ঠানে নাচ করার রিহার্সেলের জন্য যেতে বলে তারা।

বাড়ি থেকে বেরোনোর সম্মতি পেলনা শিমুল

এমন কথা শুনে প্রথমেই অসম্মতি জানায় শাশুড়ি এবং পরাগ। তাদের মতে এই বাড়ির নিয়ম ভেঙ্গে শিমুল কিছু করতে পারবে না। কিন্তু শিমুল যে নাছোড়বান্দা। সে সুচরিতাকে জানিয়ে দেয় ঠিক সময় রিহার্সাল করতে চলে যাবে শিমুল। এই কথা শুনে ভীষণ রেগে যায় পরাগ। সে বারবার শিমুলকে এই সমস্ত করতে বারণ করে। শিমুল বলে বাড়ির সব কাজ মিটিয়ে তারপরেই সে যাবে তাই কারোর কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

শেষমেষ হার মানলো পরাগ

কাজ থেকে বাড়ি ফিরে পরাগ এবং শিমুলের মধ্যে এই একই বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হতে থাকে। পরাগ বারবার শিমুলকে এসব করতে বারণ করে, আর ভয় দেখায় বাপের বাড়ি দিয়ে আসার। তখন শিমুল পরাগকে বলে তার মা এত কষ্ট করে তার বিয়ে দিয়েছে বাপের বাড়ি থাকার জন্য নয়, বিয়ে দিয়েছে সংসার করার জন্য আর তাই সে এই বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবে না। সংসারের কাজ মিটিয়ে তবেই সে বাড়ির বাইরে বেরোবে। আর এতে কেউ তাকে বাধা দিতে পারবেনা। পরাগ আর কিছু বলতে পারেনা কারণ সে বুঝে যায় শিমুলকে থামানো সহজ নয়।

Back to top button