“ছেলে কলকাতায় এলে, আমরাও একসাথে শুই”, নতুন সিরিয়ালের দৃশ্যে কটাক্ষের বিরুদ্ধে সরব “শিমুলের শাশুড়ি” অভিনেত্রী রীতা দত্ত

জি বাংলায় (Zee Bangla) সদ্য শুরু হয়েছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kache koi Moner Kotha) ধারাবাহিক শুরু হয়েছে জুলাই মাস থেকেই। প্রোমো অনুসারে, পাড়ার পাঁচ বউ-এর বন্ধুত্বই হবে এই ধারাবাহিকের গল্প। তবে ধারাবাহিক শুরু হতে হতেই তা যেভাবে শাশুড়ি আর বউমার লড়াইয়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে তাতে বেশ বিরক্তই দর্শকদের একাংশ। আর এবার তো দেখানো হল মা-ছেলের ফুলশয্যার একটা দৃশ্যও।

ধারাবাহিক অনুসারে, সদ্য বিবাহিতা শিমূল শ্বশুরবাড়িতে আসার পর থেকেই যেন শাশুড়ির চক্ষুশূল। আর বর পরাগও ছোটবেলায় হারিয়েছে বাবাকে। মা অন্ত প্রাণ। তাঁর দাবি, শিমূল তাঁর মায়ের মুখের উপর কোনও কথা বলতে পারবে না। পরাগের ভাইও কথায় কথায় অপমান করে শিমূলকে। সে যাই হোক, ফুলশয্যার রাতে পরাগ কোনও উপহার আনে না নতুন বউ-এর জন্য।

Kar Kache Koi Moner Kotha: বৌকে ছেড়ে ফুলশয্যায় মায়ের সাথে ছেলে, 'কার কাছে কই মনের কথা' দেখে ছিঃ ছিঃ করছে নেটপাড়া
এদিকে সমানাধিকারে বিশ্বাসী শিমূল কিন্তু বরকে দেবে বলে আংটি নিয়ে আসে। আর এই উপহার বদলের মাঝেই শাশুড়ি চলে আসে শরীর খারাপের নাটক করে। সে এতটাই মরণাপন্ন হয়ে ওঠে যে আর হেঁটে নিজের ঘর অব্দি যেতে পারেন না। শেষমেশ দেখা যায়, ফুলশষ্যার খাটে ছেলের বুকে মাথা রেখে শুয়ে থাকল মা, আর নতুন বউয়ের জায়গা হল চেয়ারে।

May be an image of 1 person and bed
তবে এই দৃশ্য দর্শকদের বড় একটা অংশের পছন্দ হয়নি একেবারেই। অনেকেরই দাবি, ফুলশয্যার খাটে মা-ছেলেকে না দেখালেই পারতেন। এর থেকে মা পারত ছেলেকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যেতে, একা ঘুমত শিমূল। অথবা পরাগ চেয়ারে শিমূল আর শাশুড়ি খাটে। শুধুমাত্র টিআরপি বাড়াতে এমন দৃশ্যের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

এই প্রসঙ্গে এইবার শিমুলের শাশুড়ি অর্থাৎ অভিনেত্রী রিতা দত্ত চক্রবর্তী (Rita Datta Chakraborty) সরব হন। তিনি বলেন, “প্রথমত সমাজ মাধ্যমের পাতায় কি লেখা হচ্ছে সেই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কারণ আমি ফেসবুক ইনস্টাতে খুব একটা সক্রিয় নই। ধারাবাহিকে যেটা দেখানো হয়েছে তার সঙ্গে হয়তো শহুরে পরিবারের বা মা ছেলের কোন মিল পাওয়া যাবে না। তবে লেখক হয়তো কিছু ভেবেই এমন দৃশ্য লিখেছেন। আর যারা ছেলের সাথে মায়ের ফুলশয্যা বলে কটুক্তি করছেন, সেক্ষেত্রে বলবো এটি সম্পূর্ণ বিকৃত মানসিকতার প্রতিফলন। আমার ছেলেও বাইরে থেকে কলকাতায় এলে আমরা একসঙ্গে শুই। এরকম ভাবনা সত্যিই মানা যায় না”

Back to top button