দীপাকে ফাঁসাতে গিয়ে মিশকাকেই না এবার বসতে হয় বিয়ের পিঁড়িতে! আজকের পর্বে মিশকার অবস্থা দেখে হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে দর্শক

স্টার জলসার (Star Jalsha) ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ (Anurager Chowa) ধারাবাহিকটি দর্শক মাঝে বেশ জনপ্রিয়। প্রত্যেক কলাকুশলীর অভিনয় দর্শকের মনে আলাদা জায়গা তৈরী করে নিয়েছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে টিভির পর্দায় চোখ রাখতে ভোলেনা দর্শক। তার ফলাফল পাওয়া যায় প্রতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকায়। গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ একটানা টিআরপি তালিকায় এই ধারাবাহিক প্রথম স্থানে আছে।
সম্প্রতি, ধারাবাহিকে নতুন মোড় দেখা গেছে। দীপা আবার সেনগুপ্ত বাড়িতে ফিরে এসেছে। সূর্য তাকে মেনে না নিলেও সে মেয়েদের জন্য বাধ্য হয়েই একপ্রকার ফিরে এসেছে ওই বাড়িতে। তবে সে এবার আর নিজের জায়গা সহজে ছাড়বেনা বলেই মনস্থির করেছে। কারণ সে বুঝতে পেরেছে সূর্য তাকে শুধুই ঘৃণা করেনা।
সোনার এমন উদ্বিগ্নতা দূর করে তার মন ভালো করতে বাড়িতে একটা পুজো রেখেছেন লাবণ্য সেনগুপ্ত। আর সেই পুজোতে মিশকাকে ডাকা হলে দীপা এবার এক উপায় বার করে সূর্যর থেকে মিশকাকে দূরে রাখার। দীপা আর পরিবারের বাকি সদস্যরা মিলে মিশকাকে নতুন ফাঁদে ফেলার পরিকল্পনা করেছে তাও দীপার বুদ্ধিতে।
খুব বুদ্ধি করে দীপা একটা ম্যাট্রিমনিতে মিশকার ছবি সহ পাত্র চাই এর বিজ্ঞাপন দেয়। আর তাই মিশকার ফোন যেমন ফোনের লাইন তেমনই বাড়ির সামনে ছেলেদের লাইনও পরে গেছে। বিরক্ত হয়ে এবার সে ঠিক করে পুলিশের কাছে যাবে। সূর্যকে ফোন করলে সেনগুপ্ত পরিবারের সবাই সূর্যকে আটকে যায় ফলে সে একাই পুলিশ স্টেশনে চলে যায় এবং কমপ্লেন করায়।
আর এরপরে শুরু হয় আসল খেল। যে আইপি এড্রেস থেকে এই বিজ্ঞাপনটি দেওয়া হয়েছিল সেটা সূর্যর কাকাই প্রতীকের। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রতীককে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় থানায় বাড়ির সকলেই ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু প্রতীক কি জিনিস সেটা হয়তো এতদিনে দর্শকরা বুঝেছে। যখনই পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসা করে তার ফোন চুরি হয়েছে কিনা বা তার আইডি হ্যাক হয়েছে কিনা প্রতীক নির্ভীকভাবে বলে এমন কিছুই হয়নি, আর স্বীকার করে যা করেছে সব নিজেই করেছে। মিশকা তখন ভাবতে থাকে এইবার মজা দেখানো যাবে ওদের। তখন একদম ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে কাকাই বলে, “ওই মেয়েটি আমাকে কি ডাকলো শুনলেন? কাকাই বলল।
মানে ও আমার মেয়ের মতো। আমি তো ওর ভালো চাইবই। আর ওর ভালো চেয়েই আমি এসব করেছি।” যা দেখে হাসির রোল দর্শকমহলে। শুধু তাই নয় প্রতীকের কথায় একেবারেই গোলে যায় পুলিশ। সে বলে তারও ভাইঝি রয়েছে, তাদের বাবা মারা যাওয়ার পর সেই ভাইঝিদের নিজেই বিয়ে দিয়েছেন তিনি। মিশকার সব আগুনে জল ঢেলে হাসতে হাসতে পুলিশ স্টেশন থেকে বেরিয়ে গেল প্রতিক। অনুরাগের ছোঁয়ার এই দৃশ্যে বেশ মজা পেয়েছেন দর্শকরা।

