তুষার তলাপাত্র ফাঁসিয়ে দিল দিব্যাকে, জগদ্ধাত্রীর হাতে ধরা পড়লো ছদ্মবেশী খেলনা বিক্রেতা, এবার শুধু আসল অপরাধীদের শাস্তি

এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে জি বাংলার (Zee Bangla) সব থেকে জনপ্রিয় ধারাবাহিকটি হচ্ছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। বাঙালি বরাবরই রহস্য প্রেমী। আর আজকের যুবসমাজ পছন্দ করে অ্যাকশন। এই দুইয়ের সমন্বয়ে বর্তমানে ৮ থেকে ৮০ প্রত্যেকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিক।
বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী জগদ্ধাত্রী এবং কৌশিকী মুখার্জি এখন ব্যস্ত স্বয়ম্ভুর মৃত্যু রহস্যর কিনারা করতে। একটু একটু করে জট খুলতে খুলতে একেবারে শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছে জগদ্ধাত্রী। আর এই দিনের পর্বে সব সত্যিটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল জগদ্ধাত্রীর সামনে। এবার সবাইকে মাত দেবে সে।
এদিনের পর্বে দেখা যায় দিব্যা সেন কে নিজের হাতে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছে জগদ্ধাত্রী। জগদ্ধাত্রী দিব্যাকে বলে “কিছু মনে পড়ছে, আপনার স্বামী মৃদুল সেনের কথা মনে পড়ছে?” চমকে উঠে দিবা সে ভেবে পায় না জগদ্ধাত্রী কিভাবে এসব জানলো। দিব্যা বলে “তুমি কিন্তু খুব ভুল করছ এর শাস্তি কিন্তু তুমি পাবে।” কৌশিকী মুখার্জি বলে “যখন সাংবাদিক এবং আইন পাশাপাশি থাকে তখন কি হয় তুমি জানো এবার সেটাই দেখবে।”
দিব্যা ভয় পেয়ে তুষার তলা পাত্রকে ফোন করে। তাকে সবটা বলতেই তুষার বলে, “আমাদের মধ্যে আর কোন সম্পর্ক নেই। আর কোনদিনও ছিল না। শুধু আমাদের উদ্দেশ্যটা এক।” পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে যায় দিব্যার। সে ভেবে পায় না এবার কি করা উচিত। অন্যদিকে তুষার তলাপাত্র কৌশিকী মুখার্জিকে ফোন করে হুমকি দেয় বলে যদি তার নামে কোন কিছু পেপারে বেরোয় তাহলে খুব খারাপ হয়ে যাবে কিন্তু সেই হুমকিতে ভয় পায় না কৌশিকী মুখার্জি।
অন্যদিকে স্বয়ম্ভুকে গুলি করার অভিযোগে যে ফেরিওয়ালাকে তুলে আনা হয় তাকে প্রথমে চিনতে পারে না তিন্নি। কিন্তু পরে অনেক বুদ্ধি খাটিয়ে জগদ্ধাত্রী তার আসল রূপ তিন্নির সামনে আনে আর তারপর তিনি বলে সেই লোকটাই ফেরিওয়ালার বেসে ছিল কোর্ট চত্বরে। দুইয়ে দুইয়ে চার করে ফেলে জগদ্ধাত্রী আর এইবার জোর কদমের জেরা শুরু করে গুলিটা কে করতে বলেছিল তার নাম জানার জন্য।

