মেঘ অভিযোগ তুলে নিলেও ময়ূরীকে ক্ষমা করেনি মেঘের বাবা, ময়ূরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল তার বাবা!

জি-বাংলার অন্যতম চর্চিত ধারাবাহিক হল ‘ইচ্ছে পুতুল’ (Icche Putul)। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী তিতিক্ষা দাস এবং মৈনাক ভৌমিক। ধারাবাহিকটি অনেকটাই ‘ইচ্ছে নদী’ ধারাবাহিকের অনুকরণে তৈরি। তবে ইদানীং এই ধারাবাহিকের গল্প বেশ জমে উঠেছে। ধীরে ধীরে ধারাবাহিকটি প্রমাণ করে দিচ্ছে যে আপাত দৃষ্টিতে এক মনে হলেও ইচ্ছে নদীর থেকে অনেকাংশেই আলাদা ইচ্ছে পুতুল।
যারা এই ধারাবাহিকটি নিয়মিত দেখেন তারা জানেন, হানিমুনে যাওয়ার কথা ছিল নীল আর মেঘের। কিন্তু বিষয়টা সহ্য করতে পারছিলো না ময়ূরী। শুরুর দিন থেকেই চেষ্টা করে যাচ্ছিল কিভাবে তাদের এই আনন্দ গুলোকে ভেস্তে দেওয়া যায়। অনেক প্ল্যান পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছিল নিজের প্যাঁচালো মনে। আর একদম শেষ বেলায় সুযোগ পেয়ে সে সুযোগ হারায়নি ময়ূরী।
বেরোনোর ঠিক আগের মুহূর্তে মেঘের পাসপোর্ট মেঘের গানের খাতার ভেতর অনেক কায়দা করে লুকিয়ে রাখে ময়ূরী। এদিকে সবাই ভুল বোঝে মেঘকে। প্রতিদিন নানান ভাবে অপমান করে কোন ঠাসা করে দেয় মেঘকে। দিদির ষড়যন্ত্র ধরতে পারে মেঘ। তারপর আসল সত্যিটা সবার সামনে উদঘাটন করতে পুলিশে ফাইল করে সে। পুলিশ সকলের আঙুলের ছাপ নিলে ধরা পড়ে যায় ময়ূরী।
পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ময়ূরী অসুস্থতার ভান করে। ওটাই তার একমাত্র ট্রাম কার্ড। সবার সহানুভূতি আকর্ষণ করতে সফল হয় সে। আবার বেঁচে যায় সে। নীলের বাড়ির লোকজন আবার মেঘকে অপমান করে। অপমানে মেঘ বাড়ির ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর গুছিয়ে বাবার বাড়ির দিকে রওনা হয় মেঘ। নীলের হাজার বারণ কেউ গ্রাহ্য করল না সে।
কেনই বা করবে। কঠিন সময়ে চেনা যায় কে আপন আর কে পর। মেঘের কঠিন সময়ে এক দন্ড পাশে থাকিনি নীল। তাই এবার নীলকে উচিত শিক্ষা দিয়ে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গেল মেঘ। বাড়ি যাওয়ার পথে নিজের বাবাকে ফোন করে সে। বাবাকে জিজ্ঞাসা করে সে কি খুব বড় ভুল করে ফেলেছে? তখন মেঘের বাবা বলে আর কেউ মানুক বা না মানুক আমি জানি এবং বিশ্বাস করি পাসপোর্ট সরানোর পিছনে ময়ূরীর হাত রয়েছে। এর জন্য আমি খুবই লজ্জিত ওকে আমি কখনোই ক্ষমা করতে পারব না। তাহলে কি এবার মেঘের হয়ে ময়ূরীকে শাস্তি দেবে তার নিজের বাবা? এখন সেটাই দেখার বিষয়।

