নিজের আত্মসম্মানকে আর আঘাত নয়, সত্যিটা সকলের সামনে এনে বাড়ি ছাড়লো মেঘ! নীল কি পারবে মেঘের সাথে তার সম্পর্ক বাঁচাতে?

কয়েক মাস হল শুরু হয়েছে ‘ইচ্ছে পুতুল’ (Icche Putul)। দুই বোনের গল্প নিয়েই তৈরি জি বাংলার এই সিরিয়াল। দিদি ময়ূরী নিজের অসুস্থতার জন্য বোন মেঘের উপরে নির্ভরশীল। অথচ মনে মনে বোনের প্রতি হিংসায় মন ভরপুর তার। সৌরনীল তাকে ছেড়ে মেঘকে ভালবেসে বিয়ে করেছে বলে প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র করে চলেছে ময়ূরী। মেঘকে অপদস্থ করা, তার ক্ষতি করে সবার থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়াই তার লক্ষ্য।
একদিকে দিদির প্রতিশোধ স্পৃহা বুঝতে পেরেও স্বভাব বিরুদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করতে পারে না শান্তশিষ্ট মেঘ। ফলতঃ বারংবার ময়ূরীর পাতা ফাঁদে পা দিয়ে অপমানিত হতে থাকে সে। বিয়ের দিন মেঘের রান্নায় অতিরিক্ত নুন দেওয়া থেকে শুরু করে রিসেপশনে তার সাজ বিগড়ে দেওয়া, পরীক্ষায় ষড়যন্ত্র করে মেঘকে ফাঁসানো, তার গলা খারাপ করে দেওয়ার মতো একটার পর একটা কাণ্ড ঘটিয়ে গিয়েছে ময়ূরী।

কিন্তু মেঘ বুঝতে পেরেও দিদিকে সবার সামনে ধরিয়ে দেয়নি। বদলে নিজে সবার কাছে দোষী হয়েছে। এমনকি সৌরনীলও বারবার অবিশ্বাস করেছে তাকে। কিন্তু মেঘের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে এবার। সিরিয়ালে দেখানো হয়েছে, মেঘকে নিয়ে বিদেশে হানিমুনের পরিকল্পনা করে নীল। কিন্তু যথারীতি তা ভেস্তে দেয় ময়ূরী। আর দোষ গিয়ে পড়ে মেঘের উপরে।
মেঘকে যা নয় তাই বলে অপমান করে সৌরনীল। এমনকি তার চরিত্রের দিকেও আঙুল তুলতে বাকি রাখে না তার পরিবার। এরপরেই সিদ্ধান্তটা নিয়ে নেয় মেঘ। তার পাসপোর্ট চুরির জন্য পুলিসে অভিযোগ জানায় সে। অন্যদিকে আসতে বলে দেয় ময়ূরীকেও। এই পর্বটা দেখেই উচ্ছ্বসিত দর্শকরা।
বাড়ির সবার হাতের ছাপ নেওয়া হয়। পাশে থাকুক বা না থাকুক সম্পূর্ণরূপে মেঘের পাশে রয়েছে তার বাবা। মেঘ নীলকে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয়, যে দুটো দিন রিপোর্ট আসতে সময় লাগবে সেই দুটো দিন সেই বাড়িতে থাকবে। কোথাও যাবে না। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে তারপর যাবে। অন্যদিকে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় ময়ূরী বারবার মা-বাবাকে বলতে থাকে মেঘ যাতে অভিযোগটা তুলে নেয়। কিন্তু কোনো লাভ হয় না। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত ধরা পড়বে ময়ূরী?

