দর্শকদের আশা আর রইল না, শেষ শুটিং হয়ে গেল মেয়েবেলার, রূপা গাঙ্গুলী ছেড়ে যেতেই কি ছন্দপতন! কী বললেন পুরনো “বীথি”?

বর্তমানে স্টার জলসার একটি অন্যতম ধারাবাহিক হলো মেয়েডালা। ধারাবাহিকের শুরুটা হয়েছিল অনেক বড় চমক দিয়ে। বহু দিন পরে প্রায় দীর্ঘ আট বছর পর পর্দায় ফিরেছিলেন অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। ‘মেয়েবেলা’ সিরিয়ালের শুরুর দিনগুলো বেশ সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ হলেও তার পর তৈরি হয়েছিল বিস্তর বিতর্ক।
দিনে দিনে যে দিকে মোড় নিয়েছিল গল্প তা একদমই পছন্দ হয়নি রূপার। সিরিয়াল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি তার ফলে অনেক জলঘোলাও হয়েছিল। সিরিয়ালে বীথি মিত্রের চরিত্রে তাঁর পরিবর্তে দেখা যায় অনুশ্রী দাসকে। এত পরিবর্তনের পরেও মাত্র কয়েক মাসের মাথায়ই বন্ধ হচ্ছে ‘মেয়েবেলা’ সিরিয়াল। রূপার সিরিয়াল থেকে সরে আসার কারণেই কি ধারাবাহিক বন্ধের সিদ্ধান্ত নিবে চ্যানেল?
ছ’মাস পার হতে না হতেই ‘মেয়েবেলা’ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে বেশ আশাহতো হয়েছেন পরিচালক সুমন দাস। আক্ষেপ করে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “অনেক দিন পরে একটা মনের মতো শো পরিচালনা করে ভাল লাগল। কিন্তু এটা এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে আশা করিনি। যাই হোক ভাল জিনিস কম হলেই ভাল, তবেই সেটা মনে থেকে যায়।” শেষ এক মাস ‘বীথি’ চরিত্রে নেই রুপা। বদলে দর্শক দেখছেন অনুশ্রীকে। ধীরে ধীরে চরিত্রটি মোড় নিয়েছে ইতিবাচক দিকে। এ দিকে রূপার অভিযোগ ছিল, প্রেক্ষাপটে গল্পটি শুরু হয়েছিল তা মোড় নিয়েছে নেতিবাচক দিকে, যা কখনও কাম্য ছিল না। তাই তিনি সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রূপা গাঙ্গুলির ধারাবাহিক ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের এক মাস ঘুরতে না ঘুরতে চ্যানেলের এই সিদ্ধান্ত। তা শুনে কী বললেন রূপা? এক সংবাদ মাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, “আমার এই বিষয়ে কিছু বলার নেই। যেটা ঠিক মনে হয়েছিল, সেটা করেছি। বাকি আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কি না সেই উত্তর দেবেন দর্শক।” অন্য দিকে অনুশ্রীর গলায় শোনা গেল সুর। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “আমি বীথি চরিত্রে অভিনয় শুরুর পরেই যে সিরিয়ালটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তেমনটা না। আমাদের শুটিং শেষ হয়েছে। সম্প্রচার এখনও চলবে বেশ কিছু দিন। সেটাও তো পজ়িটিভ দিকই।”
রূপা গাঙ্গুলী কে দেখার স্বাদ দর্শকদের মনে সব সময় থাকবে। আগামী দিনে আবারও পর্দায় রূপাকে দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন দর্শক। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তাঁর নির্ণয় করতে সময় লাগে। ‘মেয়েবেলা’ সিরিয়ালে অভিনয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি সময় নিয়েছিলেন পাঁচ থেকে ছ’মাস। পরবর্তী কালেও যদি কাজ করেন তা হলে সময় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

