বহুদিন পর এন্ট্রি নিল পালক, আসতেই লাবণ্য সেনগুপ্তর মত অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, তার চরিত্রের পরিবর্তন দেখে খুশি দর্শক

বর্তমানে স্টার জলসার সবচেয়ে জনপ্রিয় বহু চর্চিত এবং পছন্দের ধারাবাহিকটি হলো অনুরাগের ছোঁয়া। প্রায় বেশিরভাগ সপ্তাহেই স্লট লিড করে এই ধারাবাহিক। অনুরাগের ছোঁয়াকে টক্কর দেওয়া এখন সব ধারাবাহিক এর কাছেই অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। অনেকদিন ধরেই ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে সূর্য আর দিপার ভুল বোঝাবুঝির পর্ব। দর্শকদের দাবি যেন খুব তাড়াতাড়ি সবকিছু মিটমাট হয়ে যায় তাদের মধ্যে।

পারিবারিক অশান্তির জেরে চাপ সহ্য করতে না পেরে বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে প্রবীর। গুরুতর অসুস্থতার কারণে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ টুকরো টুকরো স্মৃতিগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠছে তার। আর সেগুলোকে নিয়েই কখনো কেঁদে ফেলছে সে আবার কখনো উত্তেজিত হয়ে উঠছে। তার এমন অবস্থা দেখে লাবণ্যসহ গোটা পরিবার কি করবে ভেবে পাচ্ছে না।

এই অবস্থায় প্রত্যেকেই হাসপাতালে প্রবীরের কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করছে। সূর্য আর দীপা প্রবীরের সামনে এলে সূর্যকে দীপার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দিতে বলে সে। ইচ্ছা না থাকলেও বাধ্য হয়েই দীপার সিঁথিতে সিঁদুর পরাতে হয় সূর্যকে। অন্যদিকে সেনগুপ্ত পরিবারে এন্ট্রি নেয় পালক। দীর্ঘ এক বছর পর পুনরায় পালককে দেখা যাচ্ছে ধারাবাহিকে। যার দরুন খুশি দর্শকরা।

যারা ধারাবাহিকটির নিয়মিত দর্শক তারা জানবেন পালক লাবণ্যর মেয়ে। একসময় পালককে একেবারেই পছন্দ করত না লাবণ্য। কিন্তু তারপর তাদের পরিবারের দীপা আসে। দীপা এসে একেবারে ঘরের লক্ষ্মীর মত গোটা পরিবারকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলে। পালকের সঙ্গে লাবণ্য সেনগুপ্ত সমস্ত সম্পর্ক ঠিক হয়ে যায়। বর্তমানে বাবার অসুস্থতার কথা শুনে নিজের বাড়িতে ফেরে পালক।

সে ঘরে ঢুকে দেখে উর্মির মা এবং ঠাকুমা মিলে যা নয় তাই বলছে রুপাকে। রূপার ছোট্ট মনে সেগুলো কতটা প্রভাব ফেলছে সেই নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই তাদের। উর্মি অনেকবার বাধা দিলেও অনেক কথা শোনালেও উর্মির কথাকে পাত্তা না দিয়ে রুপাকে ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে তারা। এমন সময় পালক এসে বাড়ি থেকে বের করে দেয় উর্মির মা আর দিদাকে। ঠিক যেন লাবণ্য সেনগুপ্তের অবয়ব। এমন কাণ্ড দেখে বেশ খুশি হয়েছেন দর্শকরা। তাদের মতে লাবণ্য থাকলে সেও ঠিক একই কাজ করতো। এতদিন পর পালক কে ধারাবাহিকে ফিরতে দেখে খুশি ভক্তরা।

Back to top button