সব দুঃখ ভুলে শেষে শুধু শুরুটাকেই মনে রাখতে চান মিঠাই! শুটিং শেষের দিনে সৌমিতৃষার পোস্ট দেখে চোখে জল চলে এলো ভক্তদের

সে একেবারে ঢুকে পড়েছিল সাধারণের ঘরে, বৈঠকখানার আড্ডায়। তার ভাল থাকায় মন খুশি থাকত অনুরাগীদের। মনখারাপে ঘিরে থাকত একরাশ বিষন্নতা। ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকারা ঘরের চরিত্র হয়ে যান বটে, তবে এই নায়িকা যেন একটু বেশিই প্রিয় হয়ে গিয়েছিল সবার। তিনি সবার প্রিয় ‘মিঠাই’। অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু। অনেক জনপ্রিয়তা পেরিয়ে, শেষ হলো এই ধারাবাহিকের শুটিং। এর আগে দর্শকদের এত কাছের বোধ হয় কোনো চরিত্রই তৈরি হয়নি।

‘মিঠাই’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা একটা সময় ছিল আকাশছোঁয়া। তার কাছে সব ধারাবাহিক ছিল চুনোপুটি। সফল ধারাবাহিকগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল এই মিঠাই। দর্শকদের কাছ থেকেও যথেষ্ট ভালবাসা পেয়েছিলেন সৌমিতৃষা ও আদৃত রায়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসেছে অনেক নতুন ধারাবাহিক। টিআরপির তালিকায় মিঠাই পতনও দেখেছে। ধীরে ধীরে টিআরপি কমে আসছিল এই ধারাবাহিকের।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ধারাবাহিক তাই শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নির্মাতারা। এক সময় টানা ৪৫ সপ্তাহ যে ধারাবাহিক টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে এসেছে সেই ধারাবাহিক যে দর্শকদের প্রিয় হবেই টা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখেনা। মিঠাই এর অভিনয়ের মধ্যে যে আন্তরিকতা ছিল তা সত্যি দর্শকদের বারবার একাধারে যেমন হাসিয়েছে আবার অন্য দিকে কাদিয়েওছে।

মিঠাই শেষ হয়ে যাওয়া নিয়ে নিজেও অনেকটা কষ্টে ছিলেন অভিনেত্রী। তার মাঝে বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ভেঙে ফেলা হয় মনোহরা, তার একটা কষ্ট তো ছিলই তার ওপর এসে জোটে শারীরিক কিছু কষ্ট। সব মিলিয়ে ছুটি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মিঠাই। তবে আর দু একদিনের জন্য ছুটি নেওয়া হয়নি। মিঠাই শেষ করে একেবারে তলপি তোলপা গুটিয়েই বিদায় নিলেন তিনি। তবে তার আগে দর্শকদের থেকে নিয়ে গেলেন অফুরন্ত ভালোবাসা।

সম্প্রতি তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন, যেখানে দেখা যায় মিঠাইএরই স্ক্রিপ্টের একটি পাতার উপর তার হাত। তার ক্যাপশনে লেখা “শুরু টাই শুধু মনে থাক না হয়”। অর্থাৎ শুরুর দিনে মিঠাই এর সেই ভালো দিন গুলোর স্মৃতি গুলোকে জড়িয়ে ধরেই ভালো থাকবেন তিনি। তার মাঝে বা পরে যে তিক্ততা এসেছে এবং চলেও গেছে সেসব আর মনে রাখতে চান না অভিনেত্রী।

Back to top button