শুটিং শেষের দিনে আবেগঘন মিঠাইরানিসহ তার ভক্তরা! সেটে উপচে পড়ছে ভিড় অজস্র, উপহার আর ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলেন ভক্তরা

বাংলা ধারাবাহিকে এমন অনেক মুখ আছে, যা দর্শকের হৃদয়ে আলাদা করে জায়গা করে নেয়। গ্রামের মিস্টি মেয়ে মিঠাইও বাঙালির হৃদয়ে একেবারে সেই জায়গা নিয়ে নিয়েছে ইতিমধ্যেই। তাঁর কথা বলার ধরণ, অভিনয় ক্ষমতা, পরিবারের প্রত্যেকটি মানুষকে আপন করে নেওয়া সবটাই বারবার নজর কেড়েছে দর্শকের। এমন মিষ্টি মেয়ে হঠাৎ চলল কোথায়?
এখনও পর্যন্ত স্টার জলসার সব থেকে জনপ্রিয় এবং মনোগ্রাহী ধারাবাহিকটি হচ্ছে মিঠাই। একটা দীর্ঘ সময়ের জন্য টিআরপি তালিকার একদম উপরে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছিল এই ধারাবাহিক। তখন তার কাছে ছিল সবাই চুনোপুটি। আর সে ছিল রানী। প্রতিদিন মানুষের ড্রইং রুম মাতিয়ে রাখতো মিঠাই। মানুষকে আনন্দ দিতে তার জুড়ি মেলা ভার। মিঠাই ভক্তদের মতে মিঠাই এর মতন মিষ্টি নায়িকা আর দুটো খুঁজে পাওয়া যাবে না।
মিঠাই এর প্রতিটি সদস্যই অনবদ্য। সেটা মিঠাই হোক বা তার উচ্ছে বাবু। আর হল্লা পার্টির তো জুড়ি মেলা ভার। তাদের এক একটি কীর্তি দেখে দর্শকদের হাসি আর থামেনি। মিঠাই সহ গোটা হল্লা পার্টির ছদ্মবেশ আর তাদের এক একটি অভিযান গুলোতো দেখার মতন ছিল। কিন্তু সেই মিঠাই এবার বিদায়ের পথে। ৩১ তারিখ শেষ শুটিং মিঠাই এর।
কেউ নৈহাটি থেকে বড়মার কাছে পুজো দিয়ে প্রসাদ এনেছে আবার কেউ এনেছে নজর কাটানোর জন্য শুকনো লঙ্কা, কেউ আবার বড়ো করে মিঠাই রানীর পোট্রেট। শুটিং এর শেষ দিনে সেটে এসে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলেন মিঠাইয়ের ভক্তরা। কেউ আবার এনেছেন সোনার রিসলেট , মুক্তোর হার। আবার বাংলাদেশ থেকে কেউ পাঠিয়েছেন ঘুঙুর আবার কেউ কেউ তো রীতিমতন তত্ব আকারে সাজিয়ে এনেছে সব উপহার।
সৌমিতৃষার কথার এত মানুষের ভালোবাসা সে এর আগে কখনো পায়নি। তিনি আরও বলেন তিনি জানতেন যে বাংলাদেশে মিঠাই জনপ্রিয় কিন্তু ওখানকার মানুষ তাকে এত বেশি ভালোবাসেন তা সত্যই জানা ছিল না তার। আর সেটের বাইরে তো পা রাখার জায়গা নেই, তার একাধিক ভক্তরা দুর দুর থেকে এসে ভিড় জমিয়েছে সেটের বাইরে, শুধু এক ঝলক মিঠাইকে দেখবে বলে। শেষ দিনে ভক্তদের এত ভালোবাসা পেয়ে আবেগ প্রবন হয়ে পড়ল সৌমিতৃষা।

