‘বলিউডের স্বজনপোষণ হয় না, আপনারা ভুল বলেন’ অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন শর্মিলা ঠাকুরের ছেলে স্টার কিড সইফ আলি খান! নেটপাড়ায় উঠলো হাসির ঝড়

বলিউড এবং নেপোটিজম সমর্থক শব্দ এমনটাই মনে করা হয়। এই নিয়ে জল ঘোলা এবং বিতর্ক কম হয়নি। এমনকি বলিউডেরই বেশ কিছু জনপ্রিয় মুখ বারবার জানিয়েছে প্রতিবাদ। একদম মনে করে স্বজনপোষণ খারাপ আবার একদল বলে এর মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে বেশ কিছু জনপ্রিয় তারকারা।
অভিনেতা সইফ আলি খানের রয়েছে তিনটে পরিচয়। প্রথমত তিনি নবাব ঘরানার পুত্র। দ্বিতীয়ত বিখ্যাত টলিউড এবং বলিউড কাঁপানো অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের সন্তান এবং তৃতীয়ত বলিউডের এই মুহূর্তের প্রথম সারির অন্যতম নায়ক। তাই এই স্বজনপোষণ বিতর্কে বারবার তিনি নিজেও জড়িয়েছেন। বলা যায় তাঁকেও ছাড়া হয়নি।

এবার শর্মিলা ঠাকুরের এই সুযোগ্য পুত্র মতামত রাখলেন স্বজনপোষণ বিতর্ক নিয়ে। একসময় চরম বিবাদে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। অভিনেতার বক্তব্য শুনে নেট দুনিয়ায় বয়ে গিয়েছিল হাসির ঝড়। কী বলেছিলেন তিনি?

২০১৮ সালে এক সাক্ষাৎকারে স্টারকিডদের প্রমোট করা প্রযোজকদের স্বপক্ষে মুখ খুলেছিলেন অভিনেতা সইফ আলি খান। বলেছিলেন তিনি ঠিক কী বলতে চেয়েছেন সেটা মানুষ বুঝতে পারেনি। তিনি আবারও সেটা খুলে বলেন যে যে সব প্রযোজকরা তারকাদের সন্তানদের সুযোগ দেয় তারা এক রকম জুয়া খেলে। তারা মনে করে নিজের বাবা-মায়ের মত তারাও হয়তো সবকিছু জানবে। অমিতাভ বচ্চন বা ধর্মেন্দ্র সন্তানের কথা যদি ভাবো তাহলে ধরে নেওয়া হবে ওরাও একইরকম ভাবে অভিনয় করতে পারবে। এটা একরকম জেনেটিক্সের উপর জুয়া খেলা।

তিনি বলতে চেয়েছেন প্রতিভার ওপর ওই প্রযোজকরা নির্ভর করে না। তারা দেখে ওই তারকা সন্তানদের ব্যাকগ্রাউন্ড। উদাহরণ হিসেবে তিনি নিজের ঠাকুরদা এবং বাবার কথা বলেছেন। সইফের ঠাকুরদা দারুন ভালো ক্রিকেটার ছিলেন এবং সেই স্বভাব পেয়েছিলেন বাবা মনসুর আলি খান পতৌদি। কিন্তু সইফ নিজে একেবারেই খেলতে পারতেন না ক্রিকেট।

তবে এছাড়াও ২০১৭ সালে আইফা মঞ্চে আবার স্বজনপোষণ নিয়ে একটি নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন সইফ। নেপোটিজম রকস এমন মন্তব্য করে আবার বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। শেষমেষ সেই বিতর্ক থামানোর জন্য সংবাদ মাধ্যমকে খোলা চিঠি পাঠিয়েছিলেন অভিনেতা।

