শ্রীনিবাসের পুরনো অফিসে হাজির কমলা! সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলতেই সবটা পরিষ্কার! এবার কি তবে হাতেনাতে ধরা পড়বে শ্রীনিবাস? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ঝিনুক ও সম্রাটের সংসারে ফের এক নতুন অশান্তির মেঘ ঘনীভূত হয়ে উঠেছে। রাজুকে নিজ হাতে মিষ্টি খাইয়ে দেওয়ার অপরাধে বাড়ি ফিরেই ঝিনুকের ওপর চরম রাগে ফেটে পড়ে সম্রাট। ঘটনার জেরে আবারও তার মানসিক বিকারগ্রস্ত রূপ ও অতিরিক্ত ঈর্ষাপরায়ণ মনোভাব স্পষ্টভাবে সামনে চলে আসে, যা তাদের সংসারকে আবার এক অস্থিরতার মুখে ঠেলে দেয়।

ঝিনুক সম্রাটকে শান্ত করার জন্য বারবার বোঝাতে থাকে যে, রাজু তার কাছে নিজের দাদার মতো সমতুল্য। প্রায় ২৫টা বছর গুহ পরিবারের সান্নিধ্যে কাটিয়ে দেওয়ার পর আচমকা তাদের পুরোপুরি ভুলে যাওয়া বা পর করে দেওয়া সম্ভব নয়। এতদিন পর পরিবারের সবাইকে পাশে পেয়ে আবেগ ও আনন্দে ঝিনুক নিজেকে সামলাতে পারেনি, কিন্তু সম্রাটের এই অহেতুক সন্দেহ ও জবরদস্তিমূলক অধিকারবোধ তাকে মানসিকভাবে মারাত্মক ক্লান্ত ও বিরক্ত করে তোলে।

অন্যদিকে, শ্রীনিবাসকে ঘিরে ঘনীভূত হতে শুরু করেছে এক অজানা রহস্য। শ্রীনিবাসের কর্মক্ষেত্র থেকে লোক এসে কমলার কাছে সে কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে কমলা হতবাক হয়ে যায়। এতদিন যা সে বিশ্বাস করে এসেছে, তা নিয়ে নিজের মনেই প্রশ্ন জাগতে শুরু করে এবং বর্তমানে আসল ঘটনা কোন দিকে মোড় নিচ্ছে, তা ভেবে কমলা চরম দিশেহারা বোধ করে।

এদিকে সম্রাটের হঠাৎ অসুস্থতা ও জ্বরের কারণে বাড়িতে ডাক্তার ডেকে আনা হয়। চিকিৎসার পর চিকিৎসক সতর্ক করে জানান যে, সম্রাটের অবিলম্বে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সেই সঙ্গে ঝিনুক নিজে তীব্র মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে কি না, তা-ও গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে বলেন তিনি। যদিও দূর থেকে পুরো বিষয়টি সতর্ক দৃষ্টিতে লক্ষ্য করছিল সম্রাট নিজে, আর ঝিনুক ডাক্তার বা অন্য কারো সাথে মেলামেশা করুক তা সম্রাট কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না।

আরও পড়ুনঃ শ্রীনিবাসের গোপন সত্যি কমলার সামনে ফাঁ’স? ঝিনুকের উপর কড়া নজর সম্রাটের! সিসিটিভি ক্যামেরায় হঠাৎ কি দেখতে পেল সে?

আগামী পর্বের মোড় আরও নাটকীয় হতে চলেছে। একদিকে শ্রীনিবাসের আগের অফিসে খোঁজ নিতে পৌঁছে যায় কমলা, কারণ ক্রমাগত ঘটতে থাকা নানান ঘটনা তার মনে তীব্র সন্দেহের বীজ বুনে দিয়েছে। অন্যদিকে পল্লবী মন্দিরে গেলে দুর্ঘটনাবশত আদির ঠাকুমার সাথে তার ধাক্কা লাগে এবং তিনি পল্লবীকে কটু কথায় চরম অপমান ও অপমানজনক মন্তব্য করেন, যা ঘটনার মোড়কে আরও জটিল করে তোলে।

Back to top button