একদিকে আদিত্য-রোহিনীর এনগেজমেন্ট ভেস্তে দেওয়ার ষ’ড়যন্ত্র! অন্যদিকে পল্লবীকে ফাঁ’দে ফেলার চ’ক্রান্ত! সুপর্ণার পাঠানো গাড়িতে লুকিয়ে কোন অজানা বিপদ?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মিঠির স্কুলে ভর্তির জন্য বিপুল পরিমাণ টাকার বন্দোবস্ত পল্লবী কোথা থেকে করল, তা বুঝতে আদিত্যের বিন্দুমাত্র বাকি থাকে না। গয়নার দোকান থেকে বেরোনোর সময়েই আদিত্য লক্ষ করে পল্লবীর কানে দুল দুটো নেই। তা দেখেই সে স্পষ্ট বুঝে যায় যে, আদতে নিজের গয়না বিক্রি করেই পল্লবী মিঠির পড়াশোনা ও ভর্তির খরচ জোগাড় করেছে।

অন্যদিকে আদিত্যের বৌদি নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য পল্লবীকে তাদের বাড়ির বউ করে আনার উদ্দেশ্যে মিঠির পিসির সাহায্য চায়। আদিত্যের বৌদির আসল উদ্দেশ্য হলো সংসারে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখা যাতে অন্য কেউ এসে তার জায়গা নিতে না পারে। সে চায় পল্লবী এ বাড়িতে এলে তাকে সব সময় চেপে রাখা যাবে এবং সে কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না। মিঠির পিসি মুখে এ প্রস্তাবে রাজি হলেও মনে মনে কোনোভাবেই চায় না যে পল্লবী এত বড়লোক বাড়ির বউ হোক।

অবশেষে আদিত্য ও রোহিনীর এনগেজমেন্টের নির্ধারিত দিনটি এসে পৌঁছায় এবং চারদিকে জোরকদমে তোড়জোড় শুরু হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই শ্রীনিবাস প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে ব্যাংকে গেলে জানতে পারে যে টাকা হাতে পেতে আরো তিন-চার দিন সময় লাগবে, যা শুনে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। অন্যদিকে ঝিনুক তার দিদির সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় আড়াল থেকে সম্রাট তা শুনে ফেলে। সম্রাট সন্দেহ করতে শুরু করে যে এনগেজমেন্টের অনুষ্ঠানে নিশ্চয়ই ঝিনুকের সেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত থাকবে। ঝিনুকের প্রতি সম্রাটের মনের এই কদর্য সন্দেহ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আদিত্যের এঙ্গেজমেন্ট ভেস্তে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সুপর্ণা এবং আদিত্যের বৌদি তৎপর হয়ে ওঠে। আদিত্যের বৌদি রোহিনীকে ডেকে জানায় যে আজই তাদের এনগেজমেন্ট এবং তাকে সুন্দরভাবে সেজেগুজে তৈরি হতে বলে। অন্যদিকে সুপর্ণা স্কুলে গিয়ে মিঠিকে তুলে নিয়ে আসে যদিও পল্লবী তাকে আগে থেকেই স্পষ্ট সতর্ক করেছিল যেন সে মিঠির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না রাখে।

আরও পড়ুনঃ টাকার চিন্তায় ঘুম উড়লো শ্রীনিবাসের! ঝিনুককে নিয়ে আবারও সন্দেহ দাদা বাঁধলো সম্রাটের মনে! কী হবে এর পরিণতি? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্কুলে পৌঁছে মিঠিকে না পেয়ে পল্লবী ব্যাকুল হয়ে পড়ে এবং সুপর্ণাকে ফোন করে মিঠির খোঁজ চায়। তখন সুপর্ণা পল্লবীকে জানায় যে তাকে নিতে একটি গাড়ি আসবে এবং সে যেন চুপচাপ সেই গাড়িতে উঠে পড়ে তবেই সে মিঠির কাছে পৌঁছাতে পারবে। নিজের সন্তানের নিরাপত্তার খাতিরে পল্লবী না ভেবেচিন্তে সেই গাড়িতে উঠে পড়ে। এখন দেখার বিষয়, তাদের এই চক্রান্তের পেছনে আর কী চরম বিপদ অপেক্ষা করছে।

Back to top button