টাকা চু’রির দায় বোনের ওপর? পল্লবীর আয়ের উৎস নিয়ে সমরের মিথ্যে সন্দেহ! ছেলের নোং’রামি দেখে রুদ্রমূর্তি ধারণ করল কমলা!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, আদি, পল্লবী এবং মিঠি যখন একসাথে বাড়ি ফিরছিল, তখন হঠাৎ একটি ছোট বাচ্চা ছেলে এসে মিঠির সাথে কথা বলতে শুরু করে। ছেলেটি মিঠির নাম ও পদবি জানতে চাইলে পাশে থাকা পল্লবী এগিয়ে এসে উত্তর দেয় যে মিঠির পুরো নাম ‘মিঠি গুহ’। কিন্তু এরপরই ছেলেটি যখন মিঠির বাবার পরিচয় জানতে চায়, তখন অবোধ শিশু মিঠি কোনো উত্তর খুঁজে না পেয়ে স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
মিঠির এই বিব্রতকর ও অসহায় পরিস্থিতি দেখে আদিত্য বিন্দুমাত্র দেরি না করে দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে আসে। সে দ্বিধাহীন কণ্ঠে জানিয়ে দেয় যে পল্লবী একাই মিঠির মা ও বাবা দুই ভূমিকা পালন করছে। আদিত্যের এই স্পষ্ট ও বলিষ্ঠ উত্তর যেমন অচেনা ছেলেটির প্রশ্ন থামিয়ে দেয়, তেমনি পল্লবীর প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও সাহচর্যকে নতুন করে প্রকাশ করে।
ঘটনার মোড় ঘুরে যায় যখন আদির হবু স্ত্রী তাকে ফোন করে এবং পল্লবী না জেনে ফোনটি ধরে ফেলে। তবে ভাগ্যের জোরে কেউ কারো আসল পরিচয় বুঝতে পারে না, ফলে এক তীব্র মানসিক আঘাতের হাত থেকে পল্লবী সাময়িক রক্ষা পায়। অন্যদিকে, ঝিনুক আবার সম্রাটের ব্যবহারে ভয়ে শিউরে ওঠে। ব্যবসার সূত্রে রণ না জেনে সম্রাটকে ফোন করলে ঝিনুক সেই ফোন ধরে, কিন্তু তাদের কথা শেষ হওয়ার আগেই সম্রাট ফোন কেড়ে নিয়ে ঝিনুককে তীব্র অপমান করতে শুরু করে।
আগামী পর্বে দেখা যাবে পল্লবী বাড়ি ফিরে সবাইকে মিঠিকে স্কুলে ভর্তি করার সব ব্যবস্থা শেষ করার সুখবর দেয়। তার বাবা খরচের চিন্তা করতে গেলে পল্লবী জানায় যে সে নিজেই অর্থের বন্দোবস্ত করে নিয়েছে। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই তার বড় দাদা এসে বিষাদ ঢেলে দেয়। সম্প্রতি নিজের টাকা চু’রি যাওয়ায় সমর চরম সংশয়ে ভুগছিল এবং সে পল্লবীর এত টাকা জোগাড়ের উৎস নিয়ে নোংরা সন্দেহ প্রকাশ করে।
আরও পড়ুনঃ পল্লবীই মিঠির মা-বাবা! অচেনা প্রশ্নের মুখে প্রকাশ্যে মিঠির অতীত! আদিত্যের এক উত্তরে বদলে গেল সম্পর্কের সমীকরণ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
চু’রির দায় বোনের ওপর চাপিয়ে এমন নিচু মনের সন্দেহ করা দেখে মা কমলা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেন না। বোনের প্রতি সমরের এই নোংরা দৃষ্টিভঙ্গি ও কটু কথা শুনে কমলা ভীষণ রেগে যান এবং নিজের ছেলেকে শাসন করতে গায়ে হাত তোলেন। মিঠির ভবিষ্যৎ গড়ার আনন্দ মুহূর্তেই পারিবারিক অশান্তি ও সন্দেহের কালো মেঘে ঢেকে যায়।

