শান্তনুর পকেটে জু’য়ার টিকিট! ছেলের অবনতি দেখে হতবাক কমলা! নতুন কোন ঝড় আসতে চলেছে গুহ পরিবারে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, ঝিনুক সারাদিন তার দিদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে না পারায় মন খারাপ করে বসে ছিল। স্ত্রীর এই খারাপ লাগা দূর করতে সম্রাট এলাহী আয়োজন করে এবং তার জন্য উপহার হিসেবে নতুন শাড়ি ও গয়না নিয়ে আসে। সম্রাটের উদ্দেশ্য ছিল ঝিনুক যেন যেকোনো মূল্যে তার দিদির কথা ভুলে যায়।

আসলে সম্রাটের চরম একপেশে মানসিকতা তাকে দিন দিন আরও ভয়ঙ্কর করে তুলছে। সে কোনোভাবেই চায় না ঝিনুকের কাছাকাছি অন্য কেউ বা কোনো কিছু আসুক। সম্রাটের চরম দখলদারিত্বের কারণে ঝিনুকের জীবনের প্রিয় মানুষ বা প্রিয় বস্তু যা কিছুই হোক না কেন, সেগুলোকে সে এক এক করে ছা’রখার করে দেওয়ার বিপজ্জনক পরিকল্পনা করে চলেছে।

অন্যদিকে, পল্লবীর জন্মদিন উদযাপনে কোনো খামতি রাখেনি আদিত্য। সারাদিন হইচই করে সে পল্লবীর মন ভালো করে রেখেছিল। রাতে বাড়ি ফিরে পল্লবী একরাশ উপহার দেখতে পায় এবং আনন্দিত হয়ে ভাবে যে ঝিনুকই হয়তো ভালোবেসে এগুলো পাঠিয়েছে। সে তখনই ঝিনুককে ফোন করলে ঝিনুক অবাক হয়, তবে মনে মনে ধরে নেয় হয়তো সম্রাটই তাদের তরফ থেকে এই উপহারগুলো পাঠিয়েছে।

এদিকে সম্রাটের আনা উপহারগুলো ঝিনুকের বেশ পছন্দ হওয়ায় সে ভীষণ খুশি হয়। কিন্তু স্ত্রীর এই আনন্দও সম্রাটের মনঃপুত হয় না, কারণ ঝিনুক তার নিজের পছন্দের চেয়ে ওই জিনিসগুলোকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছিল। সম্রাটের তীব্র হিংসা ও মানসিক চাপ তাকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যায় যে সে সেই প্রিয় উপহারগুলোকেই জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেয়।

আরও পড়ুনঃ জমি দখল-প্র’তারণা-তোলাবাজি, ভোটের আগেই ১০০ কোটির সম্পত্তি পা’চার! পুজোর আগে দেবরাজ-অদিতি দম্পতির বিরুদ্ধে আদালতে পেশ নয়া চার্জশিট!

পরের দিন ঝিনুকের ক্লান্তি মেটাতে সম্রাট তাকে নিজ হাতে মাথা মালিশ করে দিতে শুরু করে। ঝিনুক তখন পার্লারে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে এবং একটু বাইরে ঘুরে আসার কথা বললে সম্রাট আচমকাই রেগে ওঠে। সে জানায়, তাকে ‘প্রিন্সেস ট্রিটমেন্ট’ দিতে সে বাড়িতেই পার্লার খুলে দিতে রাজি, তবুও বাইরে যাওয়ার দরকার নেই। সম্রাটের এই তীব্র রাগের সামনে ঝিনুক আবারো ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। এরই মাঝে গল্পে আসে নতুন মোড় শান্তনুর পকেট থেকে জুয়ার টিকিট খুঁজে পেয়ে কমলা দেবী হতবাক হয়ে যান এবং নিজের ছেলের এমন অন্ধকার পথে পা বাড়ানোর কথা জানতে পেরে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েন।

Back to top button