বিরাট দুঃসংবাদ! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে বর্ষীয়ান অভিনেতা! শোকের ছায়া বিনোদন জগতে!

বিনোদন জগতে ফের নেমে এল শোকের ছায়া। বেশ কিছুদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হায়দরাবাদে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। অভিনেত্রী কারাতে কল্যাণী এই মৃত্যুসংবাদ নিশ্চিত করেছেন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই চলচ্চিত্র জগতে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। বহু অভিনেতা এবং চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন।
সত্তরের দশকে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। কে বালাচন্দরের পরিচালনায় ১৯৭৬ সালের ‘আঁথুলেনি কথা’ ছবির হাত ধরে শুরু হয় তাঁর অভিনয়ের পথচলা। এরপর একের পর এক ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যায় তাঁকে। ‘ওকা ওরি কথা’, ‘ওরকিচিনা মাতা’ এবং ‘মাঞ্চু পাল্লাকি’র মতো ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন তিনি।
দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয় জীবনে একশোর কাছাকাছি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। ‘চিলাকাম্মা চেপিন্ডি’, ‘মুথ্যালা পাল্লাকি’, ‘গ্যাং লিডার’ এবং ‘হিটলার’-এর মতো বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবিতেও অভিনয় করেছেন। অভিনেতা রজনীকান্তের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ছিল দীর্ঘদিনের। দু’জনেই চেন্নাইয়ের ফিল্ম ইনস্টিটিউটে একই ব্যাচে পড়েছিলেন এবং অভিনয় জগতে আসার আগে একসঙ্গে প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন।
চিরঞ্জীবীর সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। একাধিক ছবিতে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। এর মধ্যে ছিল ‘চাটানিকি কাল্লু লেভু’, ‘মাঞ্চু পাল্লাকি’, ‘রাজা বিক্রমকা’, ‘গ্যাং লিডার’ এবং ‘হিটলার’। শুধু অভিনয় নয়, পরবর্তী সময়ে প্রযোজনা ও পরিচালনার কাজেও যুক্ত হন তিনি। ‘চাটানিকি কাল্লু লেভু’, ‘দেবন্থাকুডু’ এবং ‘ইয়ামুডিকি মোগুডু’র মতো ছবির সঙ্গে তাঁর নির্মাতা হিসেবে যুক্ত থাকার কথাও জানা যায়।
আরও পড়ুনঃ বিয়ের আগেই শুরু নতুন ঝামেলা! আদৌ কি নির্বিঘ্নে মিটবে রায়ান-পারুলের বিয়ে? নাকি অপেক্ষা করছে বড় কোনো বিপদ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
প্রায় ৭৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। বড় পর্দার পাশাপাশি টেলিভিশনেও তাঁর পরিচিতি ছিল। ‘পসুপু কুমকুমা’ এবং ‘সুন্দরকাণ্ড’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। প্রয়াত এই অভিনেতার দীর্ঘ কর্মজীবনে অভিনয়, প্রযোজনা এবং পরিচালনা, তিন ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান ছিল। প্রয়াত হলেন প্রখ্যাত তেলুগু অভিনেতা জিভি নারায়ণ রাও।


